Kunal ghosh facebook post
Bengal Liberty:
ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য শাসকদলকে বারংবার বিরোধী দলগুলি থেকে বিধায়কদের নিজের দলে টেনে আনার বিষয়টি অত্যন্ত স্বাভাবিক (Kunal ghosh facebook post)। এবার সেই প্রসঙ্গে, অন্য দল ভেঙে আনা পরিযায়ী তৃণমূল বিধায়কদের খোঁচা মারলেন কুণাল ঘোষ। মূলত বাম যুবনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলবিরোধী কাজ করার বিষয়ে ফেসবুক পোস্টে তুলোধনা কুনালের।

বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে তৃণমূলের বিধায়কদের সই জালিয়াতির অভিযোগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা স্পিকারের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বজায় রাখার অভিযোগ এবং দলের সই-জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে আনার কারণে সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাসপেন্ড করা হয়েছে।

সমাজমাধ্যমে কুনাল ঘোষের দলবিরোধী পোস্ট Kunal ghosh facebook post
এই ঘটনার পর কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে লেখেন, দলের বর্তমান অবস্থার জন্য অতীতের কিছু ভুল সিদ্ধান্ত দায়ী। তাঁর মতে, অন্য রাজনৈতিক দল থেকে বিধায়ক আনা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম বড় ভুল।
কুণাল ঘোষ লেখেন, “যদি তৃণমূলের কাউকে গাজর দেখিয়ে ভাঙানোর চেষ্টা বিজেপি করে, তাতে আমি বিজেপির দোষ দেখি না। ওরা আগেও ‘যোগদান মেলা’ করেছে। আমরাও ওদের লোককে নিয়েছি। ওরা আজ ক্ষমতায় আছে। ওদের সমালোচনার আগে নিজেদের ঘরের দিকেও তাকাতে হবে। যারা নিজেরা সদ্য জিতে, দল সরকার থেকে সরে গেছে বলে বিলম্বিত বিবেক জাগরণের চিত্তচাঞ্চল্যে কাতর হয়ে পড়েছেন, তাঁদের দিকেও তাকাতে হবে। এরা নির্দল প্রার্থী হিসেবে জেতেননি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতীক, মুখ ও প্রচারকে ব্যবহার করেই জিতেছেন। তাঁদের অনেককে মাথায় তুলেছিল কারা, সেই প্রশ্নও করতে হবে। শুরু থেকে লোক চেনার ভুল হয়েছে, পদ্ধতিগত ভুল হয়েছে, কাজের ক্ষেত্রেও ভুল হয়েছে। বড় ভুল হয়েছে। তবে অন্য অনেক দলকে ধোয়া তুলসীপাতা ভাবারও কোনো কারণ নেই।’ এরপর শুরু হয়েছে সন্দীপন সাহা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম তৃণমূল কংগ্রেসের কাদা ছোড়াছুড়ি রাজনীতি। মুখ্যমন্ত্রীর সাংবাদিক বৈঠকে সুই জালিয়াতির প্রসঙ্গ টানার পর দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে তৃণমূলের দুই বিধায়ক সন্দীপন সাহা ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

