Firhad joins Suvendu
স্পষ্ট তৃণমূলের ভাঙন। শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিলেন ফিরহাদ হাকিম। সিলমোহর দিল বেঙ্গল লিবার্টি। বিধানসভা থেকে শুরু, একে একে সবদিক থেকেই কোণঠাসা করে দিয়েছিলেন মমতা ব্যানার্জী। সেই অপমানের জবাব দিলেন প্রশাসনিক বৈঠকে যোগদানের মাধ্যমে। মমতাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর পাশে ফিরহাদ হাকিম। পূর্বে, তৃণমূলের শাসন চলাকালীন বিরোধীদের মুখ বন্ধ করেছিলেন মমতা ব্যানার্জী। নতুন সরকার গঠনের পর সেই ধারণা পরিবর্তন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, আজ ফিরহাদ হাকিম যোগ দিলেন শুভেন্দুর সভায়। বিশ্বস্ত ববিকে সভায় দেখে রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

ভাঙল মমতার ডান হাত (Firhad joins Suvendu)
বহুদিন মমতার অন্যতম বিশ্বস্ত ছায়াসঙ্গী ফিরহাদ হাকিমকে দেখা যেত না তৃণমূলের আশেপাশে। ২০২৬বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্রকে জয়ী করানোর গুরুদায়িত্ব ছিল ফিরহাদ হাকিমের ওপর। সেখানেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা ব্যানার্জী। কলকাতা পোর্ট থেকে জয়ী হয়েছেন ববি কিন্তু বহুদিন ধরেই মমতা ব্যানার্জীর বঞ্চনার স্বীকার হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিনের তৃণমূলের ছায়াসঙ্গী তথা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কর্মী ছিলেন। আজ, শুভেন্দু অধিকারীর সভায় যোগদান করেন তিনি। ববি হাকিমের প্রশাসনিক বৈঠকে যোগদানের মাধ্যমে বুঝতে বাকি রইল না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দীর্ঘদিনের সঙ্গী হারিয়েছেন।

তৃণমূলের অন্দরের ভাঙনের গুঞ্জন বহুপূর্বেই রব উঠেছিল। আজ ফিরহাদ হাকিমের প্রশাসনিক বৈঠকে, রাজনীতিতে মমতার একাকিত্ব দৃষ্টি আকর্ষণ করল। তবে কি ফিরহাদ হাকিম ধীরে ধীরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক রাজনীতিতে যুক্ত হচ্ছেন? একাধিক প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

