Mamata Bandhyapadhay
তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন কংগ্রেস ও অন্যান্য বিজেপি বিরোধী দলগুলির সঙ্গে দিল্লিতে বৈঠক সারছেন, তখন অদূরে তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা বিজেপির পক্ষে সমর্থন ঘোষণা করল। এনডিএ ব্লকের সদস্য হতে চেয়ে লোকসভার স্পিকারকে সাক্ষর সহ চিঠি দিলেন ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ।

সঙ্গীহীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandhyapadhay)
সোমবার, ৮ জুন দিল্লিতে ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সদস্যদের সঙ্গে বৈঠকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ছাড়াও ডেরেক ও’ব্রায়ান, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরও অনেকে। সূত্রের খবর, ২০ জন বিদ্রোহী সাংসদ এনডিএ ব্লকের সদস্য হতে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন লোকসভার স্পিকারকে। তবে এখনই বিজেপি যোগদান করছেন কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট কিছু জানা যায়নি। তালিকায় কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দীর পাশাপাশি রয়েছেন প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, খলিলুর রহমান, অসিত মাল, অরূপ চক্রবর্তী, শর্মিলা সরকার, জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া, আবু তাহের, কালীপদ সোরেন, জুন মালিয়া, সাজদা আহমেদ, ইউসুফ পাঠান, দেব, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাপি হালদার এবং পার্থ ভৌমিক। শত্রুঘ্ন সিংহ, প্রতিমা মণ্ডল এবং মিতালি বাগ বিদ্রোহী শিবিরের দিকে ঝুঁক আছেন বলে শোনা যাচ্ছে। দিল্লিতে বসেও দল বাঁচাতে ব্যর্থ হলেন তৃণমূল নেত্রী।বিধানসভার পর এ বার লোকসভার সংসদীয় দলও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল। রইলেন মাত্র গুটিকয়েক সাংসদ।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল সুপ্রিমো হওয়া সত্ত্বেও সঙ্গে নেই দল। তৃণমূলের নেত্রী হয়েই ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে গিয়েছিলেন দলনেত্রী মমতা। বাংলা হারিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া জোটে যোগ দিয়েছিলেন দিল্লির খুঁটি শক্ত করতে। ইতিমধ্যে ২০জন সাংসদ উল্টো স্রোতে পাড়ি দিলেন। অর্থাৎ শেষ অবধি মাত্র আটজন রইলেন দলনেত্রীর সঙ্গে। রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে সদ্য ইস্তফা দিয়েছেন সুখেন্দুশেখর রায়।

সাংসদ কাকলি জানিয়েছেন, ” ইতিমধ্যেই ২০ জন ‘বিদ্রোহী’ সাংসদ স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন তাদের সিদ্ধান্তের কথা।”
একমাস আগে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে গিয়ে বাঁচাতে অক্ষম হল নিজের দলকে। বিধানসভার পর ভাঙল লোকসভা। হাতে গোনা সাংসদদের নিয়ে কীভাবে দলের অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারেন তৃণমূল নেত্রী মমতা, সেটাই দেখার

