Abhishek Banerjee
Bengal Liberty, ১২ জুন :
জমি দুর্নীতি ও আর্থিক তছরুপের তদন্ত ঘিরে শনিবার ভোররাতে কালীঘাটে পুলিশের অভিযান (Abhishek Banerjee)। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের সন্ধানে শালবনি থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর কালীঘাটের বাসভবনে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায়। পুলিশের দাবি, সুমিতের মোবাইলের সর্বশেষ টাওয়ার লোকেশন ওই বাড়িতেই পাওয়া গিয়েছিল। প্রায় পাঁচ ঘণ্টার এই অভিযানের পর ঘটনাস্থলে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। গোটা ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক (Abhishek Banerjee)।

টাওয়ার লোকেশনের সূত্র ধরেই কালীঘাটে অভিযান (Abhishek Banerjee)
তদন্তকারী সূত্রে জানা গেছে, জমি দুর্নীতি মামলায় ধৃত মেদিনীপুরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। অভিযোগ, একটি আর্থিক তছরুপ মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছেন তিনি। এরপর সুমিতের মোবাইল ফোনের গতিবিধি খতিয়ে দেখতে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, তাঁর সর্বশেষ টাওয়ার লোকেশন ছিল কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় অবস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই শনিবার রাত প্রায় ৩টে নাগাদ শালবনি থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর একটি বড় দল সেখানে পৌঁছে তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

পুলিশের বিরুদ্ধে হেনস্তার অভিযোগ অভিষেকের (Abhishek Banerjee)
অভিযোগ, দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকির পরও বাড়ির ভিতর থেকে কোনও সাড়া না মেলায় পুলিশ প্রধান দরজার তালা ভেঙে প্রবেশ করে। এরপর গোটা বাড়িতে প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালানো হয়। সকাল ৮টার কিছু পরে বাহিনী সেখান থেকে বেরিয়ে আসে। ঘটনার খবর পেয়ে ভোরেই কালীঘাটে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, যদিও তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করেননি। পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, কোনও পূর্ব নোটিশ ছাড়াই পুলিশ তাঁর বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালিয়েছে। এই অভিযানকে ‘পুলিশি হেনস্তা’ বলে আখ্যা দিয়ে অভিষেকের অভিযোগ, তদন্তের নামে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চাপ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে।



