ED Raid
Bengal Liberty: পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ফের তোলপাড় রাজ্য। শনিবার সকাল থেকে আটটি ভিন্ন জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। নিয়োগ দুর্নীতির ‘মাস্টারমাইন্ড’ অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই অভিযান চলছে।

ঠিকাদারের ‘প্রাসাদ’ ও তৃণমূলের যোগ (ED Raid)
ইডি-র নজরে এদিন সবচেয়ে বেশি এসেছে বেলেঘাটা মেন রোডের ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বিলাসবহুল বাড়িটি। একসময় সামান্য ঠিকাদারের কাজ করা সঞ্জীব কীভাবে তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ঠ হয়ে কয়েক বছরেই বিপুল সম্পত্তির মালিক হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তৃণমূল নেতা পবিত্র বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত এই সঞ্জীবের মাধ্যমে নিয়োগ দুর্নীতির টাকা কোথায় পাচার হয়েছে, তা খুঁজছেন গোয়েন্দারা।

মদনের বাড়িতে ইডি, পুরসভায় বেনিয়মের ছায়া (ED Raid)
একই সঙ্গে মদন মিত্রের বিভিন্ন বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি। কামারহাটি পুরসভা সহ একাধিক জায়গায় টাইপিস্ট ও গ্রুপ-ডি কর্মী নিয়োগে কোটি কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের ঘটনায় বিধায়কের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

দুর্নীতির আড়ালে ঠিকাদার রাজ (ED Raid)
নিয়োগ দুর্নীতির পেছনে কেবল রাজনৈতিক নেতা নয়, বরং ঠিকাদার ও প্রোমোটারদের এক বিশাল সিন্ডিকেট সক্রিয়। অয়ন শীলের মতো প্রোমোটাররা পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়া নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রাখত। এখন ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের মতো ব্যক্তিদের উত্থান প্রমাণ করছে, তৃণমূল জমানায় কীভাবে সরকারি নিয়োগকে দালালি ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিজেদের কোষাগার ভরার হাতিয়ার বানানো হয়েছিল। সাধারণ মানুষ চাকরি থেকে বঞ্চিত হলেও, শাসকদলের ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারদের আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে—এই সত্যই এখন ইডি-র তল্লাশিতে স্পষ্ট হচ্ছে।


