West Bengal Budget
Bengal Liberty : রাজ্যের পালাবদলের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তের নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের প্রথম রাজ্য বাজেট (২০২৬-২৭) পেশ হতেই রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা (West Bengal Budget)। একদিকে শিল্পপতিদের চোখে এই বাজেট রাজ্যের ঝিমিয়ে থাকা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার এক ‘মাস্টারস্ট্রোক’, অন্যদিকে কংগ্রেসের মতে এটি কেবলই ‘ফাঁকা আওয়াজ’ ও ঋণের বোঝা বাড়ানোর নীলকশা। পরিকাঠামো উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শিল্পের পুনরুজ্জীবনের প্রতিশ্রুতি বনাম কংগ্রেসের তোপ, সব মিলিয়ে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট ঘিরে রাজ্য রাজনীতি ও অর্থনীতিতে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন (West Bengal Budget)।

পরিকাঠামো ও শিল্পে জোয়ারের আশায় শিল্পমহল (West Bengal Budget)
রাজ্য বাজেটে পরিকাঠামো, কৃষি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং ‘ বিজনেস’-এর ওপর জোর দেওয়ায় উচ্ছ্বসিত রাজ্যের শিল্পমহল। কেভেন্টার গ্রুপের চেয়ারম্যান মায়াঙ্ক জালান এই বাজেটকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, কুলপি বন্দরের মতো দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা প্রকল্পগুলো এই সরকারের হাত ধরে নতুন করে প্রাণ ফিরে পেতে পারে। অন্যদিকে, আবাসন ও রিয়েল এস্টেট খাতের জন্য এই বাজেটকে অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মনে করছেন পূর্তি রিয়েলটির ম্যানেজিং ডিরেক্টর মহেশ আগরওয়াল। চিংড়িঘাটা-নিউটাউন এলিভেটেড করিডোর এবং কল্যাণীর গ্রিনফিল্ড বিমানবন্দর রাজ্যের নগরায়ণ, লজিস্টিক্স ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনবে বলে তাঁর দাবি। একইসঙ্গে ULCA-এর সরকারি সিদ্ধান্ত বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়েছে। লেজার পাওয়ার অ্যান্ড ইনফ্রার সিএমডি দীপক গোয়েল রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিকাঠামোর আধুনিকীকরণ এবং এআই-চালিত ডেটা সেন্টারের ঘোষণাকে রাজ্যের ডিজিটাল ভবিষ্যতের জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ বলে অ্যাখ্যা দিয়েছেন।

শিল্প ও পরিকাঠামো উন্নয়নে বাজেটকে স্বাগত
পশ্চিমবঙ্গের ২০২৬-২৭ সালের বাজেটকে স্বাগত জানিয়েছেন লেজার পাওয়ার অ্যান্ড ইনফ্রার চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর দীপক গোয়েল। তাঁর মতে, ১৫টি নতুন ৩৩/১১ কেভি সাবস্টেশন নির্মাণ এবং ১২টি শহরে আন্ডারগ্রাউন্ড কেবলিং প্রকল্পের ঘোষণা রাজ্যের বিদ্যুৎ পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে। এছাড়াও, সিঙ্গল-উইন্ডো ক্লিয়ারেন্স ব্যবস্থা ও ব্যবসা-বান্ধব সংস্কারের ফলে বিনিয়োগ এবং প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। AI-ভিত্তিক ডেটা সেন্টার ও হাইপারস্কেল ক্লাউড অবকাঠামোর কেন্দ্র হিসেবে পশ্চিমবঙ্গকে গড়ে তোলার সরকারি উদ্যোগকেও তিনি সময়োপযোগী পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, এই সব উদ্যোগ রাজ্যের শিল্পোন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।



