LOP Ritabrata Banerjee
Bengal Liberty : রাজ্যে সরকার বদলের দেড় মাসের মধ্যেই পার্ক সার্কাসের সেভেন পয়েন্ট থেকে ডন বস্কো সার্কেল পর্যন্ত প্রায় ৫০০ মিটার দীর্ঘ যে রাস্তা এতদিন সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ নামে পরিচিত ছিল, কলকাতা পুরসভার সিদ্ধান্তে এবার তার নাম হচ্ছে গোপাল মুখার্জি রোড (LOP Ritabrata Banerjee)। ২০ জুন পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুরসভা। পুরসভার এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “এত দিনে ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা হল।’” তবে এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (LOP Ritabrata Banerjee)। আজ, মঙ্গলবার বিধানসভায় তিনি বলেন, “অন্য জায়গায় গোপাল মুখার্জির নামে রাস্তা হতে পারত।”

প্রমাণ দিয়ে বিরোধিতা বিরোধী দলনেতার (LOP Ritabrata Banerjee)
যে রাস্তা এতদিন সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ নামে পরিচিত ছিল, তা বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বদলে হচ্ছে গোপাল মুখার্জি রোড। এই রাস্তার নাম সুরাবর্দি অ্যাভিনিউ হওয়ার কারণ নিয়ে নানা মুনির নানা মত আছে। এবার এই রাস্তার নাম পরিবর্তন প্রসঙ্গে বিরোধী দলনেতা বিধানসভায় সওয়াল করেন, “গোপাল মুখোপাধ্যায়ের নামে রাস্তা নিয়ে আপত্তি নেই। সেটা বউবাজার এলাকায় হতে পারত। কেন একটা নির্দিষ্ট জায়গায় হল?” তিনি তথ্য দিয়ে বলেন, “রাস্তার নাম মওলানা সুহারাবর্দীর নামে। হাসান সুহারাবর্দীর বাবা। এটা হাসান বা হুসেন সুহারাবর্দীর নামে রাস্তা তৈরি হয়নি।” তারপরই মুখ্যমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে তিনি বলেন, “হুসেন সুহারাবর্দীকে সমর্থনের কোনও প্রশ্ন ওঠে না।” তারপর তিনি কটাক্ষ করে বলেন, “সভ্যতা, ইতিহাস মুছে ফেলা যায়না, নালন্দার ইতিহাস বখতিয়ার খিলজির মুছে ফেলতে পারেনি।”
রাস্তার নাম বদল প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, “কয়েক দশক ধরে কলকাতার একটি প্রধান রাস্তার নাম এমন একজনের নামে ছিল, যিনি নিছক রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য রাষ্ট্রক্ষমতার অপব্যবহার করেছিলেন।’” শুভেন্দুর অভিযোগ, গণহত্যা চালিয়েছিলেন সুরাবর্দি। একই সঙ্গে প্রশংসা করেছেন গোপাল মুখোপাধ্যায়ের, অনেকের কাছে যিনি ‘গোপাল পাঁঠা’ নামে পরিচিত। সেক্ষেত্রে গোপাল পাঁঠা বা গোপাল মুখার্জি সুবিচার পেলো বলেই মনে করছেন অনেকে।



