TMC Office
Bengal Liberty : তৃনমূলের কোন্দল এবার কলকাতার রাজপথে নেমে এল (TMC Office)। দলের নাম প্রতীক কার দখলে যাবে স্পষ্ট নয়! তারই মধ্যে এবার মেট্রোপলিটন এলাকায় তৃণমূলের সদর কার্যালয় কার হাতে থাকবে তা নিয়ে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে। দুই টিমই তৃণমূল ভবনের দায়িত্ব পেতে মশগুল। একটা টিম সন্ধ্যের পর কার্যালয়ের দেখনদারি দখল নিয়ে তালা ঝুলিয়ে চলে যায়। আর একটা টিম রাত্রি হতেই নাটকের মহড়া সাজায় গেটের বাইরে। লিখিত অভিযোগে দায়ের হয় থানায়। সকালে দেখা যায় সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র। ঋতব্রতরা তৃণমূল ভবনে যে তালা দিয়ে গিয়েছিলেন সেই তালা এসে খুললেন এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তি। তিনি দাবি করেন, বাড়ির মালিকের নির্দেশে তালা খোলা হয়েছে। কিন্তু নাম বলতে রাজি নন সেই ব্যক্তি। অতঃপর কে এই ব্যক্তি তা নিয়ে ক্রমশ জটিল হচ্ছে পরিস্থিতি (TMC Office)।

ঘটনার সূত্রপাত (TMC Office)
শুক্রবার সন্ধ্যায় আচমকাই মেট্রোপলিটনের দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে যান ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক। উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, সন্দীপন সাহা, জাভেদ খান এবং আখরুজ্জামানের মতো নেতারা। সূত্রের খবর, সেখানে তাঁরা বেশ কিছুক্ষণ বৈঠক করেন। বৈঠক শেষে কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।যদিও এই পদক্ষেপ নিয়ে ঋতব্রত শিবিরের নিজস্ব ব্যাখ্যা রয়েছে। তাঁদের দাবি, তৃণমূল কংগ্রেসের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লড়াই, ইতিহাস এবং আবেগ এই কার্যালয়ের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে। সেই কারণেই কার্যালয়ের দায়িত্ব নিজেদের হাতে তুলে নেওয়াকে প্রয়োজনীয় বলেই মনে করেছেন তাঁরা।

থানায় অভিযোগ কালীঘাট শিবিরের (TMC Office)
দলের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে নির্বাচন কমিশনে আইনি লড়াই চলছিলই। এবার মেট্রোপলিটন এলাকায় তৃণমূলের সদর কার্যালয়কে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক টানাপোড়েন। দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে বেআইনিভাবে কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রগতি ময়দান থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নেতৃত্ব। অভিযোগে নাম রয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধায়ক অরূপ রায়, সন্দীপন সাহা, সাংসদ প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিপ্লব রায়ের। শুক্রবার গভীর রাতে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ ও মদন মিত্র। তাঁদের দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে দলীয় সদর কার্যালয়ের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।



