Benjamin Netanyahu
Bengal Liberty
আবালবৃদ্ধবনিতা সবাই এখন বিশ্বকাপ জ্বরে কাবু। আর(Benjamin Netanyahu) কিছুক্ষণের মধ্যেই বিশ্বকাপের ফাইনালের মহারণে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। তার আগেই ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সরাসরি ঘোষণা করেছেন, “আমি লিওনেল মেসির সমর্থক, ভামোস আর্জেন্টিনা!” শুধু তিনি একা নন, তাঁর বিশ্বাস ইসরায়েলের অধিকাংশ মানুষই ফাইনালে আর্জেন্টিনার পক্ষ নেবে। নেতানিয়াহুকে জার্সি উপহার সোমবার ভারতীয় সময় রাত ১২:৩০ মিনিটে নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেনের মুখোমুখি হবে গতবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিও মেসির আর্জেন্টিনা।

ঠিক তার আগেই নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন ইসরায়েলে নিযুক্ত আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত রাব্বি শিমন অ্যাক্সেল ওয়াহনিশ। তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রীকে আর্জেন্টিনার জাতীয় দলের একটি জার্সি উপহার দেন। সেই ছবি ও ভিডিও ইতিমধ্যে প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর হাতে আর্জেন্টিনার জার্সি। পরে একটি ফুটবল নিয়েও তাঁকে নাড়াচাড়া করতে দেখা যায়।
এরই সঙ্গে ইসরায়েলকে আর্জেন্টিনার প্রকৃত বন্ধু বলেও সম্বোধন করেছেন আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত রাব্বি শিমন। তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান, “আপনি আমার বন্ধু, সবসময় আমাদের সমর্থন করেন। আমি জেনে খুব খুশি হয়েছি যে আপনি আমাদের কারণে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করছেন।” জবাবে নেতানিয়াহু বলেন, “হাভিয়ের, তুমি একজন সত্যিকারের বন্ধু। আমরা তোমার পাশে আছি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করছি। আগামীকালও করব। শুভকামনা।”
মিশরের কোচের ফিলিস্তিনকে সমর্থন(Benjamin Netanyahu)
ফিফা বিশ্বকাপের মঞ্চেও ক্রমশ রাজনৈতিক বিতর্ক ছড়াচ্ছে। যেমন, অস্ট্রেলিয়া বনাম মিশরের ম্যাচে টাইব্রেকারের সাহায্যে জয়ী হয়েছিল মিশর। কিন্তু ম্যাচ শেষে মিশরের প্রধান কোচ হোসাম হাসানকে ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে দেখা যায়। প্রসঙ্গত, আর্জেন্টিনা বনাম মিশরের ম্যাচে আর্জেন্টিনার সমর্থকদের একাংশকে ইসরায়েলের পতাকা হাতে মাঠে খেলা দেখতে দেখা গিয়েছিল। এ প্রসঙ্গে

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের একাংশের দাবি(Benjamin Netanyahu)
“খুব কৌশলগতভাবেই আর্জেন্টিনার রাষ্ট্রদূত নেতানিয়াহুকে আর্জেন্টিনার জার্সি উপহার দিয়েছেন। এর মাধ্যমে বিশ্বমঞ্চে এটি জাহির করার চেষ্টা হতে পারে যে আর্জেন্টিনা ইসরায়েলের কত বড় সমর্থক। আর সেই সুযোগটিকে কাজে লাগিয়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করছেন নেতানিয়াহু।”
এখন দেখার বিষয়, আন্তর্জাতিক মহলে এই জার্সি বিনিময়কে কেন্দ্র করে নতুন কোনো উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, নাকি সবকিছু স্বাভাবিকই থাকে। এই নিয়েই চলছে নতুন টানাপোড়েন।


