Us Iran
Bengal Liberty
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি আরও(Us Iran) ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের এখনও কোনো নিষ্পত্তি হয়নি। বরং পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। একের পর এক হামলার জেরে গোটা বিশ্বে নেমে এসেছে আশঙ্কার ছায়া। কোনোভাবেই এই সংঘাত থামানো যাচ্ছে না; দিন দিন পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে এবং বাড়ছে নিহতের সংখ্যা।
এরই মধ্যে জর্দানে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি লক্ষ্য করে ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

এই হামলায় দু’জন মার্কিন সেনা নিহত এবং একজন নিখোঁজ হয়েছেন। এ ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিষয়টিকে “অত্যন্ত দুঃখজনক” বলে অভিহিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি এই মর্মান্তিক মৃত্যুকে দেশের প্রতি সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ বলে আখ্যায়িত করেন। এর পাশাপাশি ইরান যাতে কোনোভাবেই পরমাণু শক্তি অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়েও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া(Us Iran)
আমরা ইরানকে কিছুতেই পরমাণু শক্তির অধিকারী হতে দেব না। ওরা যতই উস্কানিমূলক হামলা চালাক কিংবা অশান্তির আগুন ছড়ানোর চেষ্টা করুক, ওদের প্রতিটি চালেরই যোগ্য জবাব দেওয়া হবে। ইরানকে উচিত শিক্ষা দেওয়া হবে। আমাদের সেনাদের বলিদান বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।”

হামলার লক্ষ্যবস্তু ও উদ্দেশ্য(Us Iran)
হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের হুমকি হ্রাস করা এবং জর্ডান ও কুয়েতের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার জন্য দায়ী ‘ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস’ (IRGC)-কে শাস্তি দেওয়াই আমেরিকার মূল উদ্দেশ্য। অন্যদিকে, নিজেদের পরমাণু কর্মসূচির আন্তর্জাতিক ছাড়পত্র আদায় এবং বিভিন্ন দেশে বাজেয়াপ্ত হওয়া ইরানি সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করাই তেহরানের প্রধান লক্ষ্য।

নেপথ্যে কোন রহস্য?(Us Iran)
তবে এই পরিস্থিতিতে বড় প্রশ্ন উঠছে—টানা ১৪১ দিন ধরে আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ইরান কীভাবে একা মার্কিন সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে? এর নেপথ্যে কোন রহস্য লুকিয়ে আছে? সত্যিই কি এই যুদ্ধের পেছনে রাশিয়া কিংবা চীনের সরাসরি মদত রয়েছে? এই প্রশ্নে এখন আন্তর্জাতিক মহল দ্বিধাবিভক্ত। আর এই টানাপোড়েনের মধ্য দিয়েই তৈরি হচ্ছে নতুন এক ভূরাজনৈতিক সমীকরণের জল্পনা।

