Bengal Liberty : বুধবার ও বৃহস্পতিবারের অশান্তির পর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফের স্বাভাবিক পরিবেশ ফেরানোর চেষ্টা (Jadavpur University)। ভাঙচুরে ক্ষতিগ্রস্ত চার নম্বর গেটের উপরের বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো নতুন করে বসানো হল। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য নিজে হাতে লোগোটি প্রতিস্থাপন করেন। তবে লোগো ফিরলেও ক্যাম্পাসের উত্তেজনা এখনও পুরোপুরি কাটেনি। হিংসার প্রতিবাদে শুক্রবারও পড়ুয়াদের একাংশ নাগরিক মিছিল করেন (Jadavpur University)।

‘লোগো শুধু প্রতীক নয়, গর্বের জায়গা’ বলেন উপাচার্য (Jadavpur University)
চার নম্বর গেটের উপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতীক ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার সেটিই ফের লাগানো হয়। উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য নিজের হাতে লোগো প্রতিস্থাপন করেন। উপাচার্যের বক্তব্য, এই লোগো শুধু একটি প্রতীক নয়। এর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের গর্ব জড়িয়ে রয়েছে। সেই গর্বের প্রতীকই ফের গর্বের সঙ্গে লাগানো হল। ঘটনার কথা পুলিশকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপাচার্য।
তবে লোগো ফিরলেও অশান্তির রেশ এখনও রয়েছে ক্যাম্পাসে। বুধবার রাত থেকে শুরু হওয়া উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। তারই প্রতিবাদে শুক্রবারও পথে নামেন পড়ুয়াদের একাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলার মাঠ থেকে গোলপার্কের কিছুটা আগে পর্যন্ত মিছিল হয়।
আরও খবর

কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে উঠছে একাধিক প্রশ্ন (Jadavpur University)
ক্যাম্পাসে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর এবং পড়ুয়াদের উপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন পড়ুয়াদের একাংশ। তাঁদের অভিযোগ, ঘটনার সময় বারবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু দ্রুত কোনও কার্যকর সাহায্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থানায় অভিযোগ দায়ের করতেও কেন সময় লাগল, সেই প্রশ্ন উঠছে। তদন্ত কমিটি গঠন নিয়েও ক্ষোভ রয়েছে পড়ুয়াদের একাংশের মধ্যে। ফলে লোগো ফের বসানো হলেও অশান্তির মূল প্রশ্নগুলি এখনও থেকে গিয়েছে। পরিস্থিতি কবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়, এখন সেদিকেই নজর বিশ্ববিদ্যালয় মহলের।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/21/jadavpur-university-8/


