Karachi Explosion
Bengal Liberty, Kolkata: পাকিস্তানের বৃহত্তম শহর করাচিতে ফের বিস্ফোরণ (Karachi Explosion)। রমজানের উপোস শুরুর আগে বৃহস্পতিবার সেহরির সময় একটি বহুতল বাড়িতে বিস্ফোরণে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে ন’জনই শিশু। আহত হয়েছেন অন্তত ১৪ জন। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, জখমদের মধ্যেও বেশ কয়েক জন নাবালক রয়েছে এবং কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। সংবাদসংস্থা সূত্রে খবর, ধ্বংসস্তূপে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন, ফলে মৃতের সংখ্যা বাড়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

সেহরির সময় হঠাৎ বিস্ফোরণ (Karachi Explosion)
বৃহস্পতিবার থেকেই রমজান মাস শুরু হয়েছে। উপোসের আগে ভোরে সেহরির খাওয়াদাওয়া চলছিল বাড়িতে। সেই সময়ই ভোরে পাকিস্তানের (Pakistan) করাচির ওল্ড সোলজার বাজার (Old Soldier Bazaar, Karachi) এলাকায় একটি বাড়ি থেকে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিস্ফোরণের অভিঘাতে বাড়িটির একাংশ ধসে পড়ে।
পুলিশ আধিকারিক জামশেদ আশের জানিয়েছেন, প্রাথমিক ভাবে গ্যাস লিকের কারণেই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে তদন্তকারীরা অন্য সম্ভাবনার বিষয়টাও খতিয়ে দেখছেন। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থল থেকে ১৬টি দেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং ধ্বংসস্তূপে আরও কেউ আটকে আছেন কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ চলছে বলেই জানা গেছে।
Partha Chatterjee জেলে কেমন ছিলেন
আরো বিস্তারিত জানতে লিংকে ক্লিক করে পুরো ভিডিওটি দেখুন: https://t.co/rVMZPgJGVe
বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে: https://t.co/MaF8Cdhhgk@SuvenduWB @MamataOfficial @BJP4Bengal @AITCofficial @bengalliberty #parthachatterjee #BJP #tmc pic.twitter.com/0lhIfKa0Xk— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 19, 2026

সিলিন্ডার বিস্ফোরণেই বিপত্তির আশঙ্কা (Karachi Explosion)
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যে বাড়িটিতে বিস্ফোরণ ঘটেছে সেটি অনেক পুরনো ও জীর্ণ বহুতল। বাড়ির একতলায় রাখা কোনও তরল পেট্রলিয়াম গ্যাসের সিলিন্ডার ফেটে এই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক অনুমান করা হচ্ছে। করাচিতে জ্বালানির ঘাটতির কারণে বহু পরিবারই এলপিজি সিলিন্ডারের উপর নির্ভরশীল। বিশেষত নিম্নআয়ের পরিবারগুলিতে এর ব্যবহার বেশি। এই বিস্ফোরণে মৃতদের মধ্যে দু’বছরের এক শিশুও রয়েছে। অধিকাংশের বয়স ১৭ বছরের নীচে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে সাত জন নাবালক। বর্তমানে ১৪ জনের চিকিৎসা চলছে স্থানীয় হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, গত মাসেই করাচির সদর এলাকার একটি শপিং মলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছিল। তার এক মাসের মাথায়, রমজান শুরুর দিনেই ফের বড় দুর্ঘটনা ঘটল শহরটিতে।

