Fake news spread by reuters
Bengal Liberty, কলকাতা :
আজ, বৃহস্পতিবার সকালের খবর অনুযায়ী ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর ও ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি-র মধ্যে হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে ফোনে কথা হয়(Fake news spread by reuters)। সেখানে জানানো হয়েছিল, ইরান ভারতকে হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের ছাড়পত্র দিয়েছে এবং প্রথমে ৪০ শতাংশ তেল জাহাজে করে আনা হবে।
এই খবরটি প্রথম ব্রেক করে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা রয়টার্স। কিন্তু এখন ইরানের তরফ থেকে জানানো হচ্ছে, ভারতকে কোনো রকম ছাড়পত্র দেওয়া হয়নি এবং কোনো চুক্তিও স্বাক্ষর হয়নি। ফলে ওই খবরটি সঠিক নয় বলেই দাবি করা হচ্ছে।

রয়টার্সের ভুল খবর
রয়টার্সের খবরের উপর ভিত্তি করেই আগুনের দাবানলের মতো সব জায়গায় খবরটি ছড়িয়ে পড়ে। এখন এই খবরকে কেন্দ্র করে চলছে বিস্তর আলোচনা। প্রশ্ন উঠছে, এত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় নিয়ে কী করে ভুল খবর প্রকাশ হলো।
রয়টার্সের তরফ থেকে এখনো কোনো যুক্তিযুক্ত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। একাধিক জরুরি সংবাদ সংস্থাও রয়টার্সের খবরের উপর ভিত্তি করেই সংবাদ প্রকাশ করেছিল। কিন্তু পরে জানা যায় পুরো খবরটি সঠিক নয়।

ভারতের দাবি
কেন্দ্র সরকারের দাবি অনুযায়ী, কোনো জাহাজে ভারতীয় পতাকা থাকলেই সেই জাহাজকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে। এই বিষয়কে কেন্দ্র করে X (টুইটার)-এ পোস্ট করেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য।
ইরানের বক্তব্য
ইরানের পাল্টা দাবি, এই ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ভারতের সঙ্গে হয়নি। তাহলে ভারত ও ইরানের মধ্যে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।
প্রথমে বলা হয়েছিল রাশিয়া ও চিনকে সেফ প্যাসেজ দেওয়া হবে। পরে সেই তালিকায় ভারতের নামও যুক্ত হয়েছিল। কিন্তু এই মুহূর্তে পরিস্থিতি খুবই বেসামাল ও টানটান।কারা পাস করতে পারবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে কারা পাস করতে পারবে না, সে বিষয়ে ইরান বেশ কড়া অবস্থানে রয়েছে।
ভারতের জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা। বাংলাদেশের জন্য ফ্রি প্যাসেজ দেওয়া হয়েছে— এমন একটি খবরও সামনে এসেছিল। কিন্তু সেই খবরের কোনো যুক্তিসংগত ভিত্তি পাওয়া যায়নি।
এখন দেখার শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যায়। সমস্যার সমাধান হবে, নাকি পরিস্থিতি আরও জটিল হবে। তেল ও গ্যাসের দাম নিয়ে ইতিমধ্যেই চিন্তায় সাধারণ মানুষ।
