Modi Shah rallies
Bengal Liberty Kolkata:
পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি Modi Shah rallies। শাসক-বিরোধী তরজা, প্রচারের কৌশল, জনসংযোগ সব মিলিয়ে রাজ্যজুড়ে এখন কার্যত নির্বাচনী আবহ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে কার্যত ফুল-স্কেল ক্যাম্পেন শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। এই প্রেক্ষাপটে ফের বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অন্যদিকে রাজ্যে ফের জনসভা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
প্রধানমন্ত্রীর কোথায় কোথায় সভা? Modi Shah rallies
আজ, শনিবার একদিনেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ জেলায় জনসভা করার কর্মসূচি রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায়, যেখানে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি ভোটারদের উদ্দেশে বার্তা দেওয়ার কথা রয়েছে। এরপর তিনি যাবেন মুর্শিদাবাদে, সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এই জেলাকে ঘিরে বরাবরই রাজনৈতিক গুরুত্ব রয়েছে। দিনের শেষ সভা দক্ষিণ দিনাজপুরে, যেখানে সংগঠনের ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এই প্রচারসভা বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সফর শুধুমাত্র প্রচার নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন জেলার সামাজিক ও রাজনৈতিক সমীকরণ মাথায় রেখেই এই সভাগুলির পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ ও সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে প্রভাব বিস্তার করার দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে।

অমিত শাহের সভা
অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই রাজ্যে রয়েছেন এবং শুক্রবার অর্থাৎ গতকাল ‘সংকল্পপত্র’ সামনে রেখে সকল মানুষকে তিনি এক আশার আলো দেখিয়েছে। এই প্রতিশ্রুতিপত্রে উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, মহিলাদের নিরাপত্তা এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থানের মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে জানা গেছে আজ শনিবার রাজ্যে তিনটি জনসভা রয়েছে অমিত শাহর । এক বাঁকুড়ার ওন্দায়,পরবর্তী সভা বাঁকুড়ার ছাতনায়। শেষ জনসভা পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে।এই তিনটি এলাকাই জঙ্গলমহলের অন্তর্গত, যেখানে বিজেপি নিজেদের সংগঠন আরও শক্তিশালী করতে চাইছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মোদি ও শাহর এই আলাদা আলাদা প্রচার কর্মসূচি আসলে একটি সমন্বিত কৌশলের অংশ। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতি ভোটারদের কাছে শক্তিশালী বার্তা পৌঁছে দিতে পারে। একইসঙ্গে কর্মীদের মনোবল বাড়ানো এবং মাটির স্তরে সংগঠনকে সক্রিয় রাখাও এই প্রচারের অন্যতম লক্ষ্য।
সব মিলিয়ে, বাংলার ভোটের আগে এই ডাবল ক্যাম্পেন যে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলবে, তা বলাই বাহুল্য। এখন নজর, এই প্রচারের প্রভাব শেষ পর্যন্ত কতটা পড়ে ভোটের ফলাফলে।

