Indranil Sen
Bengal Liberty:
চন্দননগরে ইন্দ্রনীল সেনের পরাজয়ের সঙ্গে পতন ঘটে তৃণমূলের শক্ত খুঁটির। অবশেষে ভাঙলো তৃণমূল পরিচালিত পুরবোর্ড (Indranil Sen)। মঙ্গলবার পুর ও নগর উন্নয়ন দফতরের তরফে জারি হয় নির্দেশিকা। কর্পোরেশনের ক্ষমতা নিমেষে হস্তান্তরিত হয় প্রশাসকের হাতে। একজোট হয়ে ইস্তফা দিলেন চন্দননগর কর্পোরেশনের সকল সদস্য। নতুন দায়িত্ব পেলেন জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি।

ইন্দ্রনীলের হার, পদত্যাগের হিড়িক
ইন্দ্রনীল সেনের ‘সারথী’ তথা ডেপুটি মেয়র মুন্না আগরওয়ালের পদত্যাগ করতেই ভেঙে পরে সম্পূর্ণ কাঠামো। ডেপুটি মেয়রের ইস্তফার পরেই হিড়িক ওঠে পদত্যাগের। মেয়র রাম চক্রবর্তী সহ তৃণমূলের সমস্ত কাউন্সিলর ইস্তফাপত্র জমা দেন। কার্যত, তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ল চন্দননগর কর্পোরেশনের নির্বাচিত বোর্ড।
অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের জারি করা নির্দেশ অনুযায়ী, হুগলির জেলাশাসকের হাতে চন্দননগর কর্পোরেশনের প্রশাসকের দায়িত্ব। জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি আগামীকাল থেকেই কর্পোরেশনের সর্বময় কর্তা হিসেবে প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করবেন।
তৃণমূলের ‘অকর্মণ্যতা’
চন্দননগর কর্পোরেশনের কাছে এই ছবি নতুন নয়। ২০১৮ সাল থেকে টানা সাড়ে তিন বছর কর্পোরেশনে প্রশাসক কাজ চালিয়েছিলেন। তৎকালীন তৃণমূল কাউন্সিলরদের চরম অকর্মণ্যতা ও অভ্যন্তরীণ কলহ ছিল কারণ বোর্ড ভাঙার। এবারের চিত্রটিও আলাদা নয়। অন্দরের ফাটল সামলাতে না পেরে মাঝপথেই ক্ষমতা ছাড়ল তৃণমূল ।

