Abhishek Banerjee
Bengal Liberty, ১২ জুন :
সই-জালিয়াতি বিতর্কে সিআইডির দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মাত্র একদিন পর ফের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (Abhishek Banerjee)। তবে এবার ঘটনাপ্রবাহের কেন্দ্রে অন্য একটি মামলা। ভোটপ্রচারে করা একটি মন্তব্যকে ঘিরে দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে নোটিস দিতে গিয়েছিল সিআইডি। কিন্তু ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ বাড়িতে উপস্থিত না থাকায় নোটিস গ্রহণ ও তা আইনগতভাবে কার্যকর করার প্রক্রিয়া ঘিরে তৈরি হয় নতুন জটিলতা। যখন সই-কাণ্ডে তদন্তের চাপ এবং রাজনৈতিক বিতর্ক, ২ দিক থেকেই চাপে রয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক (Abhishek Banerjee)।

ভোটপ্রচারের মন্তব্য ঘিরে তদন্ত (Abhishek Banerjee)
সূত্রের খবর, ভোটপ্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটি থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। পরবর্তীতে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে আসে। সেই তদন্তের অগ্রগতির অংশ হিসেবেই শুক্রবার বিকেলে কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে যান গোয়েন্দারা। তবে তখন বাড়িতে ছিলেন না অভিষেক। জানা গেছে, ৩.৫০ নাগাদ তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাসভবনে যান। বিকেল ৪.৩০- এর কিছু আগে সিআইডির দল তাঁর বাড়িতে পৌঁছলেও তাঁকে না পাওয়ায় নোটিস কাকে দেওয়া হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। পরে অভিষেকের অফিসের প্রতিনিধিরা এসে তদন্তকারীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিষয়টি সাংসদকে জানানো হয়েছে বলেও জানান।

সই-কাণ্ডের তদন্তের মাঝেই নতুন চাপ (Abhishek Banerjee)
অভিষেকের বাড়িতে সিআইডির উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়তেই কালীঘাট এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন সমর্থক ও কৌতূহলী মানুষজন। ঘটনাস্থলে পৌঁছন আইনজীবীরাও। তবে সিআইডি যে নোটিস দিতে গিয়েছিল, তার বিষয়বস্তু নিয়ে সরকারি ভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
উল্লেখ্য, বিধানসভায় সই-সংক্রান্ত মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একাধিকবার তলব করেছিল সিআইডি। সেই নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। পরে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে বৃহস্পতিবার ভবানী ভবনে হাজিরা দেন তিনি। সেখানে টানা প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তৃণমূল সাংসদকে। তদন্তকারীরা তাঁকে আগামী ১৪ জুন ফের হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন। সেই আবহেই নতুন মামলার তদন্তে তাঁর বাড়িতে সিআইডির উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা উস্কে দিয়েছে।



