Japan
Bengal Liberty
ভেনেজুয়েলায় পরপর শক্তিশালী ভূমিকম্প ও আফটারশকের জেরে উদ্বেগ এখনও কাটেনি। এরই মধ্যে জাপানের পূর্ব উপকূলে ৭.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ফলে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে দেশটিতে।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল জাপানের ইওয়াতে প্রিফেকচারের উপকূল সংলগ্ন সমুদ্রাঞ্চলে। ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে। তবে কম্পনের তীব্রতা উল্লেখযোগ্য হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি। পাশাপাশি বড় ধরনের প্রাণহানি বা ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবরও পাওয়া যায়নি।
জাপান সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরিস্থিতির ওপর নজরদারি চালাতে একটি জরুরি পর্যবেক্ষক দল গঠন করা হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুনামির আশঙ্কা না থাকলেও সমুদ্রপৃষ্ঠে সামান্য ওঠানামা দেখা যেতে পারে। উল্লেখ্য, বুধবার ভেনেজুয়েলাতেও একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হানে। রাজধানী-সহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায় এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই জাপানের ভূমিকম্প নতুন করে উদ্বেগ বাড়িয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।

ভূমিকম্পের সঙ্গে জাপানের দীর্ঘ লড়াই(Japan)
জাপান পৃথিবীর অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। অতীতেও একাধিক বিধ্বংসী ভূমিকম্পের সাক্ষী থেকেছে দেশটি।
১ জানুয়ারি ২০২৪: নোটো উপদ্বীপে ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।
১১ মার্চ ২০১১: জাপানের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ টোহোকু ভূমিকম্প ও সুনামি (মাত্রা ৯.০) আঘাত হানে। প্রায় ৩০ মিটার উচ্চতার সুনামি ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে আনে।
১৭ জানুয়ারি ১৯৯৫: কোবে শহরে ৭.৩ মাত্রার গ্রেট হানশিন ভূমিকম্প-এ প্রায় ৬,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
আরো পড়ুন:- R G Kar Incident : আরজি কর তদন্তে সিবিআইয়ের ওপর ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, ‘তদন্ত একচুলও এগোয়নি’


বারবার প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হলেও উন্নত সতর্কীকরণ ব্যবস্থা ও দুর্যোগ মোকাবিলার দক্ষতার মাধ্যমে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জাপান। তবে সাম্প্রতিক এই ভূমিকম্পের পর পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক থাকবে কি না, তা নিয়ে নজর রাখছেন বিশেষজ্ঞরা।


