Abhisekh Banerjee
Bengal Liberty:
কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ সংক্রান্ত মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে ধাক্কা খেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhisekh Banerjee)। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলার শুনানিতে কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষায় কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি আদালত। তবে মামলাটি থেকে সরে দাঁড়ান বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। যেহেতু এই সংক্রান্ত অন্য মামলা চলছে অন্য বিচারপতির এজলাসে, তাই মামলা কে শুনবেন ঠিক করবেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
প্রসঙ্গত, ছাব্বিশে ভোটের প্রচারে গিয়ে ডিজে বাজানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিষেক। বক্তব্যকে ঘিরে মামলা দায়ের হয়। তদন্তের স্বার্থে সিআইডি তার কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে চাইলে আদালতের দ্বারস্থ হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষায় স্থগিতাদেশ নয়
মঙ্গলবার শুনানিতে অভিষেকের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় ও অয়ন ভট্টাচার্য যুক্তি দেন, “ভয়েস স্যাম্পেলের কি প্রয়োজনীয়তা আছে? যেখানে এই তদন্ত একটি ভিডিয়ো উপরেই নির্ভর করছে। এটি একটি রাজনৈতিক ভাষণ। মামলাকারী নিজেই তাঁর স্যোশাল মিডিয়ায় আপলোড করে জানিয়েছে এটি কার বক্তব্য। তাহলে কণ্ঠস্বরের নমুনা আবার পরীক্ষার কী প্রয়োজনীতা আছে?”
জবাবে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, যদি এর পরেও তদন্তকারী আধিকারিক মনে করেন ভয়েস স্যাম্পেল দরকার, তাহলে আদালত কি না বলতে পারে? বিচারপতি এও জানতে চান, “তদন্ত কীভাবে করা হবে, কী কী দরকার সেটা কি আদালত ঠিক করতে পারে? বিচারপতির জানতে চান, “মামলাকারী কি প্রশ্ন করতে পারেন স্যাম্পেলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। তদন্ত যতক্ষণ চলছে, ততক্ষণ আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
অন্যদিকে, রাজ্যের আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল ও রাজদীপ মজুমদার আদালতে দাবি করেন, তদন্তে অভিষেক সহযোগিতা করছেন না। শেষ পর্যন্ত মামলায় কোনও অন্তর্বর্তী রক্ষাকবচ না দিয়েই বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মামলা থেকে সরে দাঁড়ান। এখন এই মামলার পরবর্তী শুনানি কোন বেঞ্চে হবে, সেই সিদ্ধান্ত নেবেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।


