21 July
Bengal Liberty : ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের আগে নতুন করে জল্পনা (21 July)। কলকাতা পুলিশ আগামী ২ জুলাই থেকে ৩০ অগস্ট পর্যন্ত ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউজ-সংলগ্ন বিস্তীর্ণ এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি করেছে। যার কারণে সব ধরনের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও জমায়েত কার্যত বন্ধ থাকবে। এবার প্রশ্ন উঠেছে, প্রতিবছর যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের ঐতিহ্যবাহী ২১ জুলাইয়ের মূল মঞ্চ তৈরি হয়, এবার সেখানে আদৌ সমাবেশ করা সম্ভব হবে কি না। ফলে শহিদ দিবসের আয়োজন ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা (21 July)।

৬০ দিনের জন্য ১৬৩ ধারা (21 July)
মঙ্গলবার কলকাতা পুলিশের নগরপাল অজয় নন্দ ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা (বিএনএসএস), ২০২৩-এর ১৬৩ ধারায় (পূর্বতন ১৪৪ ধারা) এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। নির্দেশিকা অনুযায়ী, আগামী ২ জুলাই থেকে ৩০ অগস্ট পর্যন্ত বউবাজার থানা, হেয়ার স্ট্রিট থানা এবং হেডকোয়ার্টার্স ট্রাফিক গার্ডের আওতাধীন সিআর অ্যাভিনিউয়ের কেসি দাস মোড় থেকে ওয়াই-চ্যানেল, ভিক্টোরিয়া হাউস এবং সংলগ্ন সমস্ত সংযোগকারী এলাকায় পাঁচ বা তার বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি সভা, সমাবেশ, মিছিল, পদযাত্রা, ধরনা-সহ কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচির অনুমতি থাকবে না। এছাড়াও লাঠি বা অন্য কোনও ধরনের অস্ত্র বহনের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। তবে বেন্টিঙ্ক স্ট্রিটকে এই নির্দেশিকার আওতার বাইরে রাখা হয়েছে।
কী করবে তৃণমূল? (21 July)
কলকাতা পুলিশের দাবি, গোয়েন্দা সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের আশঙ্কা, ওই এলাকায় বেআইনি জমায়েত বা বিক্ষোভ হলে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে। পাশাপাশি মধ্য কলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকায় যান চলাচল এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তের সবচেয়ে বড় তাৎপর্য হল, প্রতি বছর ভিক্টোরিয়া হাউস চত্বরেই তৃণমূল কংগ্রেসের ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মূল মঞ্চ তৈরি করা হয়। এবার নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ায় শহিদ দিবস আদৌ হবে কিনা তা নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে। দল কি বিকল্প স্থানে সমাবেশ করবে, নাকি প্রশাসনের কাছে বিশেষ অনুমতির আবেদন জানাবে?



