SIR
Bengal Liberty: কলকাতা’সহ বেশকিছু শহরাঞ্চলে যে সব ভোটারের ঠিকানা বহুতল। বর্তমানে তেমন নির্দিষ্ট কিছু ভোটারের খোঁজ না-মেলায়, তাঁদের এনামুরেশন ফর্ম বারংবার ইআরও’র কাছে জমা পড়ছে।
এরকম ভোটারের সংখ্যাটা খুব একটা কম না। কলকাতা ছাড়াও আসানসোল খড়্গপুরে এই চিত্র ধরা পড়েছে। অ্যাপে হয়তো দেখাচ্ছে ফর্ম বিলি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু আদতে তা হয়নি। বেশ কিছু বস্তি অঞ্চলেও এমনই ঘটেছে। কিছু কিছু বস্তি আবার উঠেই গিয়েছে। সেখানে বহুতল না হলে অন্য কিছু হয়ে তৈরি হয়েছে। সেই বস্তির বাসিন্দাদের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
কমিশন সূত্রে খবর, এই সমস্ত ভোটারদের নাম খসড়া ভোটার তালিকায় থাকবে না। যেহেতু তাঁরা ফর্ম জমা দেননি। খসরা তালিকার সঙ্গে যে আরও একটি তালিকা প্রকাশ করা হবে, সেখানে কারণ’সহ কাদের নাম বাদ গেল তা বিষদে জানানো হবে।
তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তিকরণে বা ভোটার কার্ডে কোনও পরিবর্তন করতে চাইলে, খসড়া তালিকা প্রকাশের (৯ ডিসেম্বর ) পর থেকে এক মাস সময় পাবেন সংশ্লিষ্ট ভোটাররা।’

৯৫% এনামুরেশন ফর্ম বিলির কাজ শেষ, তবুও কমিশনের আধিকারিকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ(SIR)
পশ্চিমবঙ্গের ৯৫% এনামুরেশন বিলি হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বাস্তব দেখা যাচ্ছে চিত্রটা খানিকটা অন্যরকম। শহরাঞ্চলের ৩০ শতাংশেরও বেশি ভোটারের সন্ধান না-মেলায় কমিশনের মাথা ব্যথার অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশাপাশি বস্তি এলাকার বাসিন্দাদের যাদের নাম ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় রয়েছে তাদের নিয়েও চিন্তার ভাঁজ করেছে নির্বাচন কমিশনের কপালে। এখন দেখার বিষয় নির্বাচন কমিশন কত তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করতে সক্ষম হয়।
