Baruipur Case
Bengal Liberty:
বারুইপুরের নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তদন্তের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে যান রাজ্যের পুলিশ মহাপরিচালক (ডিজি) সিদ্ধনাথ গুপ্ত (Baruipur Case)। প্রথমে তদন্তকারী আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি। এরপর রেললাইনের ধারে যে পুকুর থেকে নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই এলাকা পরিদর্শন করেন। কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তদন্ত কতদূর এগিয়েছে এবং ধৃতদের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত কী কী তথ্যপ্রমাণ মিলেছে, তা খুঁটিয়ে দেখেন তিনি। উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গেও বিস্তারিত আলোচনা করেন ডিজি।

ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখলেন ডিজি (Baruipur Case)
এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতরা হলেন আনন্দ সর্দার, প্রভাস মণ্ডল এবং দিবাকর সর্দার। মঙ্গলবার আনন্দ সর্দারকে আদালতে তোলা হয়। তদন্তকারীরা ধৃতদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ ও তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে গঠন করা হয়েছে ছয় সদস্যের একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT)। তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু বলতে চাননি সিদ্ধনাথ গুপ্ত। তিনি বলেন, “তিন জন গ্রেফতার হয়েছে। তদন্ত যেভাবে এগোবে, সেভাবেই আমরা জানাব।” তদন্তের স্বার্থে এর চেয়ে বেশি মন্তব্য করতে চাননি তিনি।

পুলিশের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের আশ্বাস
নির্যাতিতার পরিবার ও স্থানীয়দের একাংশ পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অভিযোগ, নাবালিকা নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশ যথাসময়ে পদক্ষেপ করেনি। এ প্রসঙ্গে ডিজি বলেন, “আমরা সব বিষয় খতিয়ে দেখছি। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তারা দেরিতে রেসপন্স করেছে। পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
বারুইপুর কাণ্ড ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপও অব্যাহত। একদিকে যেমন তদন্ত এগোচ্ছে, অন্যদিকে তেমনই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদল নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করছে। এই আবহে পুলিশের তদন্ত ও প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।

