Anubrata Mondal
Bengal Liberty: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূলটাকে কানে দেখতেন। চোখে দেখতেন না।’ ঋতব্রতর শিবিরে যোগ দিয়ে এমনটাই অভিযোগ করলেন পিসির একদা ‘বাঘ’ অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তাঁর শিবির বদলের মূল কারণ হিসেবে তিনি অভিষেক এবং মমতাকে পাশাপাশি বসিয়ে একহাত নেন (Anubrata Mondal)।
সংবাদ মাধ্যমের সামনে কেষ্টর অভিযোগ, দলের এই অবস্থার জন্য দায়ী একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘দলটা শেষ করার মূলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি কানে দেখেন, চোখে না। তাঁকে শ্রদ্ধা করি, মানি, তাই বেইমানটা বলতে পারব না। আমি যখন জেলে, তখনও জেলা প্রেসিডেন্ট ছিলাম। আমার ছবি ব্যবহার করে ২৪ সালের ভোট করলেন মমতা। তারপর কেন সরালেন? মমতা এই তৃণমূলটাকে রাখালের হাতে তুলে দিয়েছেন।’

অনুব্রতর নিশানায় I-PAC (Anubrata Mondal)
অনুব্রত মণ্ডল I-PAC-এর বিরুদ্ধে টাকা তোলারও অভিযোগ করলেন। তাঁর কথায়, ‘I-PAC এসে টাকা তোলা শুরু করল। পয়সা খেয়ে জদু, মধুকে পদে বসিয়ে দিল। তারা টাকা তুলতে লাগল। দলের প্রতি কারও মায়া থাকল না। ভালোবাসার লোকগুলোকে পিছনে ফেলে রাখল। আমি মমতাকে বলেছিলাম, ভুল পথে হাঁটছেন। আসন সংখ্যা ১০০ পেরোবে না। শতাব্দী রায় জানেন।’

অভিষেক জেলে পাঠিয়েছে! (Anubrata Mondal)
এদিন নব-তৃণমূলের বৈঠকে গিয়ে অনুব্রত মণ্ডল অভিষেককে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। তাঁর বক্তব্য, ‘নির্বাচনে হারার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমায় ৪-বার ফোন করেছিলেন। আমি বলেছি, আপনি কানে দেখেন। চোখে দেখেন না। অভিষেক জন্য জেলে গিয়েছি। পাথরের জন্য দৈনিক ৪০ লক্ষ টাকা দিয়েছি।’
এত অভিযোগ মমতা আর অভিষেকের বিরুদ্ধে! তাও কেন যে কালীঘাট তৃণমূলের বোধোদয় হচ্ছে না, তা-নিয়েই এখন জোর জল্পনা।
আরো পড়ুন:-
Adhir Ranjan Chowdhury: ‘তৃণমূল কত প্রকার, সিলেবাসে পড়ানো উচিত’, কটাক্ষ অধীরের

