Bengal Liberty : স্কুল পড়ুয়াদের আরও স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্পন্ন মিড-ডে মিল পৌঁছে দিতে নতুন উদ্যোগ নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার (CM Suvendu Adhikari)। কলকাতায় পরীক্ষামূলকভাবে ৩১৯টি সরকারি স্কুলের মিড-ডে মিল রান্না ও সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসকন অন্নামিত্র ফাউন্ডেশনকে। শনিবার তারাতলায় ইসকনের অত্যাধুনিক মেগা কিচেনের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তীতে, মিড ডে মিলের রান্নায় হাত লাগান তিনি। পাশাপাশি হোম যজ্ঞেও অংশগ্রহন করেন। প্রশাসনের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে যাবে প্রায় ৩০ হাজার পড়ুয়ার কাছে (CM Suvendu Adhikari)।

৩১৯ স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু নতুন ব্যবস্থা (CM Suvendu Adhikari)
রাজ্যের স্কুল শিক্ষা দফতরের উদ্যোগে গড়ে ওঠা তারাতলার এই কেন্দ্রীয় রান্নাঘর থেকে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার ৩১৯টি সরকারি স্কুলে প্রতিদিন খাবার সরবরাহ করা হবে। এই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৩০ হাজার ছাত্রছাত্রী পুষ্টিকর নিরামিষ খাবার পাবে।প্রশাসনের মতে, কেন্দ্রীভূত রান্না ও সরবরাহ ব্যবস্থার ফলে খাবারের গুণমান, স্বাস্থ্যবিধি, পুষ্টিমান এবং সময়মতো পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি আরও কার্যকরভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। সরকার ইতিমধ্যেই প্রাথমিক স্তরের মিড-ডে মিলের জন্য মাথাপিছু বরাদ্দ বাড়িয়ে ১০ টাকা করেছে। অতিরিক্ত বরাদ্দের ফলে খাবারের মান আরও উন্নত হবে বলেই আশা প্রশাসনের। ইসকন জানিয়েছে, সরকারি সহযোগিতায় পরিচালিত এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে স্কুল পড়ুয়াদের কাছে উন্নতমানের পুষ্টিকর খাবার পৌঁছে দেওয়া।

ডিম থাকবে, আলাদা ব্যবস্থায় পৌঁছবে স্কুলে (CM Suvendu Adhikari)
ইসকনকে মিড-ডে মিলের দায়িত্ব দেওয়ার ঘোষণার পর আমিষ-নিরামিষ নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিতর্ক শুরু হয়েছিল। সেই বিতর্কের মাঝেই রাজ্য সরকার স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, মিড-ডে মিলে ডিম দেওয়ার ব্যবস্থা বহাল থাকবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, ইসকন নিরামিষ ও সাত্ত্বিক খাবার সরবরাহ করবে। অন্যদিকে, স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মাধ্যমে আলাদাভাবে স্কুলগুলিতে ডিম পৌঁছে দেওয়া হবে। ফলে নির্ধারিত দিনে পড়ুয়ারা আগের মতোই ডিম পাবে।
আরও খবর

আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/01/cm-suvendu-adhikari-108/


