Bengal Liberty: চোরবাগানের পুজোয় নিরীহ মানুষের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, সেই প্রশ্নই তুললেন মমতা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
চোরবাগানে মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় একাধিক গুরুতর প্রশ্ন উঠছে। যে পুজোর প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপোর নাম উঠে আসছে। কেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো দেবদীপ অধিকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সেই প্রশ্নই তুললেন অভিষেক। সেই সঙ্গে প্রশ্ন তুললেন বিজেপির জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ এবং বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝার ভূমিকা নিয়েও।
অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপোকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করায় বিভিন্ন জেলায় নির্দোষ সাধারণ মানুষের ওপর পুলিশের অত্যাচার শুরু হয়েছে, এমনকি কয়েকজনকে গ্রেফতার ও করা হয়েছে ।
১৯ জন মানুষের মৃত্যুর বিচার চাওয়ার পরিবর্তে প্রতিবাদীদের মুখ বন্ধ করতেই কি পুলিশ প্রশাসনের এত তৎপরতা, এই প্রশ্নই তুলেছেন অভিষেক। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে অভিষেকের প্রশ্ন,
আরও খবর
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচারের জন্য, নাকি বিজেপি নেতা এবং তার ভাইপোকে রক্ষা করার জন্য?
নিজের রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে পুলিশ প্রশাসনকে ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহারের যে গুরুতর অভিযোগ উঠছে, তার জবাব মুখ্যমন্ত্রীকে দিতে হবে বলে দাবি করেছেন তিনি।
একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে অভিষেক জানান, বাংলা তাঁর ব্যক্তিগত জমিদারি নয়, পুলিশও তাঁর পারিবারিক সম্পত্তি নয়। রাজনৈতিক ক্ষমতা কাউকে আইনের ঊর্ধ্বে তুলে দেয় না। মানুষের প্রাণের চেয়ে কোনও নেতার পরিবারের স্বার্থ বড় হতে পারে না। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, ক্ষমতার দম্ভ দিয়ে সত্যকে চাপা দেওয়া যায় না। পাশাপাশি পুলিশ দিয়ে প্রতিবাদের কণ্ঠরোধ করে ন্যায়বিচারের দাবি থামানো যায় না বলে দাবি মমতা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের।


