Bengal Liberty : নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে রেকর্ড ব্যবধানে জয়ের পর এ বার বিধায়ক হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন হাসিরানি রথ। বুধবার বেলা ১১টায় বিধানসভায় শপথগ্রহণ করবেন নন্দীগ্রামের নবনির্বাচিত বিধায়ক হাসিরানি রথ এবং রেজিনগরের বিধায়ক শাখারভ সরকার। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন স্পিকার রথীন্দ্র বসু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।
গত ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১ লক্ষ ২২ হাজারেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন হাসিরানি। মুখ্যমন্ত্রীর নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেওয়ায় এই কেন্দ্রে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু। পরে একটি আসন ছেড়ে দেওয়ার নিয়ম মেনে ভবানীপুরের বিধায়ক পদ রেখে নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন তিনি। তার জেরেই উপনির্বাচনের পথে হাঁটতে হয় নির্বাচন কমিশনকে।
তবে হাসিরানির পরিচয় শুধু নন্দীগ্রামের নবনির্বাচিত বিধায়ক হিসেবেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রাক্তন আপ্তসহায়ক প্রয়াত চন্দ্রনাথ রথের মা। চন্দ্রনাথের মৃত্যুকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। সন্তান হারানোর শোকের মধ্যেই নন্দীগ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং এলাকার উন্নয়নে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন হাসিরানি।
আরও খবর
বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে নন্দীগ্রাম বরাবরই একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের ইতিহাসেও এই কেন্দ্রের ভূমিকা বিশেষ ভাবে আলোচিত। সেই নন্দীগ্রামেই উপনির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয় হাসিরানিকে নতুন দায়িত্বের সামনে দাঁড় করিয়েছে।
এ বার বিধায়ক হিসেবে শপথ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন তিনি। ভোটে পাওয়া জনসমর্থনকে কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের পাশে দাঁড়ানোই তাঁর সামনে বড় চ্যালেঞ্জ। সন্তান হারানোর ব্যক্তিগত শোক সামলে জনসেবার ময়দানে তাঁর নতুন যাত্রা কোন পথে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর নন্দীগ্রামের।


