Bengal Liberty : এবার রাজনীতি থেকে অবসর নিতে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম। আসন্ন পুরভোটে তিনি ও তাঁর কন্যা লড়বেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবে তার অবদান কম নয়। তাঁর আমলে কলকাতা পুরসভায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে। এই কথা স্বীকার করেন বিরোধী কাউন্সিলররা। কিন্তু তার আমলে বিতর্কও কম ছিল না। বেআইনি নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে জলাভূমি ভরাটের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছিল তার আমলে। ২০২৬ সালে কলকাতা বন্দর কেন্দ্র থেকে ফিরহাদ হাকিম জয়লাভ করলেও তৃণমূল কংগ্রেস পর্যুদস্ত হয়। তারপর থেকে কলকাতা পুরসভায় তার রাশ অনেকটাই আলগা হয়ে পড়ে।
তারপর মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান তিনি। এরপর তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশ থেকে সরে গিয়ে অধুনা গণতান্ত্রিক তৃণমূল শিবিরে যোগ দেন। ফিরহাদের বক্তব্য, ‘‘রাজনীতির পঙ্কিল আবর্তে আগামিদিনে থাকব না। আমি কলকাতা বন্দরের বিধায়ক। সেখানকার মানুষের প্রতি আমার দায়বদ্ধতা আছে। যতদিন আমার বিধায়ক পদের মেয়াদ আছে, ততদিন তাঁদের সেবক হয়ে কাজ করব। তারপর আর রাজনীতিতে আমি নেই।”
প্রিয়দর্শিনী হাকিম ভোটে লড়াই করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই ঘনিষ্ঠ মহলে প্রাক্তন মেয়র জানিয়েছিলেন, পুরভোটে কোনও দলেরই প্রার্থী হবেন না। উল্লেখ্য, তাঁরই সতীর্থ আরেক বিধায়ক মদন মিত্র জানিয়েছেন, রাজনীতিতে আর থাকতে চান না। এবার একই সুর শোনা গেল ফিরহাদ হাকিমের গলাতেও।


