ঊষান ঘোষ, Bengal Liberty
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে ধর্না কর্মসূচি ছিল কনস্টিটিউশন প্রটেকশন ফোরামের। বুধবার কলকাতা মেট্রো চ্যানেলে সেই কর্মসূচি জন্য পৌঁছন নওশাদ সিদ্দিকী-সহ ফোরামের অন্যরা সদস্যরা।
এরপরই পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়। কলকাতা পুলিশের দাবি, এই কর্মসূচি পালন করার জন্য ওয়াই চ্যানেলের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, নওশাদরা হেয়ারস্ট্রিট আউটপোস্টের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করলেই বিপত্তি দেখা দেয়। জমায়েত করতেই ফোরামের কর্মী সমর্থকদের গ্রেফতার করতে শুরু করে পুলিশ। টেনে হিঁচড়ে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় অবস্থানকারীদের।
নওশাদ সিদ্দিকীকে বুকে ঘুষি মারার অভিযোগ উঠছে পুলিশের বিরুদ্ধে। আটক করা হয় ISF চেয়ারম্যান-সহ অন্যদের। লালবাজারে নিয়ে যেতেই নওশাদ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এরপরেই প্রশ্ন উঠছে, SIR নিয়ে অবস্থান বা আন্দোলনের অধিকার কি শুধুমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? দায়িত্ব কি শুধুমাত্র নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী? অন্য কাউকেই কি আন্দোলন করার সুযোগ দেবেন না তিনি?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পথে নামলে সেখানে আগেভাগেই পুলিশি বন্দোবস্ত থাকে। অথচ অন্য কেউ সেই একই বিষয় প্রতিবাদ করতে গেলেই পুলিশ বুকে ঘুষি মারবে? তাও আবার এক জনপ্রতিনিধিকে?
সংখ্যালঘুদের প্রতি তাঁর দরদ বারবার বোঝানোর চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অথচ, SIR ইস্যুতে সংখ্যালঘু বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী পথে নামতেই তাঁকে ধাক্কা মেরে প্রিজন ভ্যানে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ! কেন এমন দ্বিচারিতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের? কাটাছেঁড়া চলছে আলোচকদের মধ্যে।

