Suvendu Adhikari
Bengal Liberty , কলকাতা :
গত রবিবার রাতে দক্ষিণ কলকাতার গোলপার্কে ঘটে যাওয়া ভয়ানক বোমাবাজি , গুলি বর্ষণ, ভাঙচুরে মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু এখনও অধরা। ঘটনার চার দিন কেটে গেলেও খোঁজ মেলেনি তাঁর। এরই প্রতিবাদে, বৃহস্পতিবার ঢাকুরিয়া গোলপার্ক ব্রিজ থেকে রবীন্দ্রসরোবর থানা পর্যন্ত বিপুল জনসমাবেশ করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী(Suvendu Adhikari)। দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত দুষ্কৃতী সোনা পাপ্পু শাসক তৃণমূলের ছত্রছায়াতেই বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। গুন্ডাদের ভয়ে বুক কাঁপছে প্রশাসনের, অভিযোগ রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির।

বিরোধী দলনেতার অভিযোগ(Suvendu Adhikari)
শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এরা ভোট লুট করে। সোনা পাপ্পুর মতো কুখ্যাত গুন্ডারা শহরের সাজা। সামনে বিধানসভা ভোট, আর তখনই এরা এলাকায় এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, শাসক দলের প্রভাবশালী নেতামন্ত্রীদের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ থাকার কারণেই আজও পুলিশ তাকে গ্রেফতার করতে পারছে না। এমনকি ফেসবুকে লাইভ করেও পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে বেড়াচ্ছে।
পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন!(Suvendu Adhikari)
বিরোধী দলনেতার আরও অভিযোগ, কলকাতার মধ্যেই থেকেও যদি একজন কুখ্যাত দুষ্কৃতী ধরা না পড়ে, তাহলে প্রশাসনের বুক কাঁপছে কেন?” এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে বোমাবাজি, গুলি বর্ষণ ও ভাঙচুরের মতো একাধিক গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে।

গোলপার্কে তৃণমূল গুন্ডাদের দাপট!(Suvendu Adhikari)
আজ, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকুরিয়া গোলপার্ক ব্রিজ থেকে রবীন্দ্রসরোবর থানা পর্যন্ত বিজেপির পদযাত্রায় বিপুল জনসমাগম হয়। বিজেপির অভিযোগ, গোলপার্ক এলাকায় তৃণমূলের পোষা গুন্ডারা তাণ্ডব চালায় প্রতিনিয়ত। গুন্ডাদের অত্যাচারে রীতিমত অতিষ্ঠ এলাকাবাসী। পুলিশি অভিযানে গোলপার্ক কাণ্ডে ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯, তবে এই ঘটনায় আরও কেউ যুক্ত কিনা সেই বিষয়ে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
সমাজ মাধ্যমের সামনে নির্দোষ প্রমাণ মূল অভিযুক্ত
গত মঙ্গলবার সোশ্যাল মিডিয়ার লাইভে এসে সোনা পাপ্পু অভিযোগ জানায়, ঘটনার সময় তিনি বাড়িতে মাঘী পূর্ণিমায় পুজো করছিলেন। এমনকি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পাল্টা চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দেন তিনি।

ভোটের আগে সন্ত্রাসের রাজনীতি?
ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই শাসক দলের আশ্রয়ে থাকা দুষ্কৃতীরা সক্রিয় হয়ে উঠছে। ভোট লুঠ, ভয় দেখানো এবং এলাকায় দখলদারির তান্ডবে মেতেছে শাসকদলের পোষা গুন্ডারা। ফলে সাধারণ মানুষের সুরক্ষার্থে রাস্তায় নেমেছে বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী সাফ জানিয়েছেন —“গুন্ডাদের গ্রেফতার করলে মানুষই জবাব দেবে।” এই মুহূর্তে গোটা ঘটনাকে ঘিরে পুলিশের ভূমিকা এবং শাসক দলের দায় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে রাজনৈতিক মহলে।

