Coal corruption case
Bengal Liberty, Kolkata :
কয়লা দুর্নীতি মামলার (Coal corruption case) তদন্তে ইডির (ED) জালে দুই কয়লা ব্যবসায়ী (Coal trader)। জিজ্ঞাসাবাদের পর কলকাতার সিজিও কমপ্লেক্সে ইডির দফতর থেকেই গ্রেফতার করা হল দুই অভিযুক্তকে। ধৃতদের নাম চিন্ময় মণ্ডল ও কিরণ খাঁ। ইডি সূত্রে জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদে সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় সেখানেই তাঁদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার মামা-ভাগ্নে (Coal corruption case)
ধৃত দু’জনেই পশ্চিম বর্ধমান (West Burdwan) জেলার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিন্ময় ও কিরণ সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে। চিন্ময়ের বাড়ি দুর্গাপুরে এবং কিরণ খাঁ রানিগঞ্জের বক্তারনগর এলাকার বাসিন্দা। দুজনেই দীর্ঘদিন ধরে কয়লা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বলে জানা যাচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের খবর,আসানসোল-রানিগঞ্জ কয়লা অঞ্চলে চিন্ময় ও কিরণের যথেষ্ট প্রভাব ছিল। এলাকায় তাঁদের ‘কয়লা মাফিয়া’ হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে বলে জানা গেছে। কয়লা পাচারের কারবারে তাঁদের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেই তদন্তকারীদের সন্দেহ।

হঠাৎ কেন গ্রেফতার? (Coal corruption case)
ইডি সূত্রে খবর, কয়লা পাচার সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেন ও নেটওয়ার্ক নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে নির্দিষ্ট ও সামঞ্জস্যপূর্ণ উত্তর দিতে ব্যর্থ হন ওই দুই ব্যবসায়ী। সেই কারণেই তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত ৩ রা ফেব্রুয়ারি পশ্চিম বর্ধমানে অভিযান চালানোর পর চিন্ময় ও কিরণকে কলকাতায় ইডির দফতরে ডেকে পাঠানো হয়। সেখানেই দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর আজ, মঙ্গলবার গ্রেফতার করা হল তাদের। তবে ধৃতদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট কোন কোন অভিযোগ আনা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইডির তরফে কিছু জানানো হয়নি।
প্রসঙ্গত, ফেব্রুয়ারির শুরুতেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে কলকাতা, দুর্গাপুর ও আসানসোলের বিভিন্ন জায়গায় একযোগে অভিযান চালিয়েছিলেন ইডির আধিকারিকেরা। সেই অভিযানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া গিয়েছিল বলে জানা যায়। ওই অভিযানের সময় দুর্গাপুর সিটি সেন্টারে বুদবুদ থানার ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডলের (OC Manoranjan Mondal) বাড়িতেও যান ইডির আধিকারিকেরা। তাঁকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পাশাপাশি জামুড়িয়ার ব্যবসায়ী রমেশ বনসলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় এক কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়েছিল বলে ইডি সূত্রে খবর। অতঃপর ইডির হাতে গ্রেফতার দুই কয়লা ব্যবসায়ী।
