Babri Yatra
Bengal Liberty Desk:
বাবরি মসজিদের (Babri Mosque) নির্মাণকাজ শুরু হওয়ার পরই এবার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল হুমায়ুন কবীরের ঘোষিত ‘বাবরি যাত্রা’Babri Yatra। পুলিশি অনুমতির অভাবে পূর্ণাঙ্গ কর্মসূচি কার্যত ভেস্তে গেলেও, সংক্ষিপ্ত আকারে কর্মসূচি পালন করলেন সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক তথা জনতা উন্নয়ন পার্টির (Janata Unnayan Party) প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর (Humayun Kabir)।
পলাশী থেকে বাবরি যাত্রার সূচনা Babri Yatra
বুধবার নদীয়ার পলাশী মনুমেন্ট (Nadia’s Plassey Monument) থেকে শুরু হয় হুমায়ুন কবীরের বাবরি যাত্রা। অনুগামীদের সঙ্গে বাইক র্যালির মাধ্যমে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে প্রায় ২২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেন। বাইকে স্টান্ট করতেও দেখা যায় হুমায়ুন কবীরকে। এরপর বাকি পথ কখনও ট্যাবলো গাড়িতে কখনও বা পায়ে হেঁটে রেজিনগরের ছেতিয়ানি এলাকায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের জমির কাছে এসে পৌঁছান।

পূর্ণাঙ্গ যাত্রায় কাটছাঁট, অনুমতি দেয়নি পুলিশ Babri Yatra
বাবরি মসজিদের নির্মাণ শুরুর পর ঘোষণা করা হয়েছিল, নদীয়ার পলাশী মনুমেন্ট থেকে উত্তর দিনাজপুরের ইটাহার পর্যন্ত প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্ণাঙ্গ বাবরি যাত্রা হবে। প্রায় ১০০টি গাড়ি নিয়ে এই কর্মসূচির পরিকল্পনা থাকলেও, কোনো জেলা পুলিশই অনুমতি দেয়নি। বৃহস্পতিবার থেকে রাজ্যে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ায় এই দীর্ঘ যাত্রায় ছাড়পত্র দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে দেয় নদীয়া, মুর্শিদাবাদ ও মালদা জেলার পুলিশ।

সংক্ষিপ্ত কর্মসূচি হুমায়ুনের Babri Yatra
এরপরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সংক্ষিপ্ত বাবরি যাত্রার। সকাল ১০টা নাগাদ জমায়েত হয় অনুগামীরা এবং আনুমানিক সকাল ১১টা থেকে যাত্রা শুরু হয়। প্রথমে বাইক র্যালি, পরে কখনও ট্যাবলো গাড়িতে, কখনও পায়ে হেঁটে রেজিনগরের ছেতিয়ানি এলাকায় প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের জমির কাছে পৌঁছন হুমায়ুন কবীর। যদিও এই সংক্ষিপ্ত কর্মসূচিতেও পুলিশের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছিল না বলে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে। শেষে হুমায়ুন কবীর ইঙ্গিত দেন, আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ বাবরি যাত্রা হতে পারে।
