Demise of Arabinda Bhattacharya
Bengal Liberty Desk, ১৬ ফেব্রুয়ারি, কলকাতা:
সংবাদ জগতের কোলাহলের মাঝেও কিছু বিদায় থাকে নিঃশব্দ এবং অপ্রস্তুত (Demise of Arabinda Bhattacharya)। একজন সাংবাদিক, যিনি প্রতিদিন অন্যের গল্প লিখেছেন, হাজারো তথ্য তুলে ধরেছেন ক্যামেরার সামনে, চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন করেছেন। হঠাৎ করেই নিজে হয়ে উঠলেন এক অপূর্ণ কাহিনির নাম। অকাল প্রয়াণে থেমে গেল তরুণ সাংবাদিক অরবিন্দ ভট্টাচার্যের জীবনযাত্রা, পিছনে রেখে গেলেন হাজারো প্রশ্ন আর শূন্যতা।
অরবিন্দর জীবনের পিছনে ফিরে তাকানো (Demise of Arabinda Bhattacharya)

বাঁকুড়ার (Bankura) বাসিন্দা অরবিন্দ ভট্টাচার্য কর্মসূত্রে কলকাতায় (Kolkata) থাকতেন। ২০২৪ সাল থেকে তিনি News 16Bharat-এর সিনিয়র এডিটর (Senior Editor) হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। সাংবাদিকতার শুরু ‘ভারতমুখ’ পত্রিকায় লেখালেখির মাধ্যমে। পরে প্রায় দশ মাস ‘বিতর্কিত’ নিউজ পোর্টালেও কাজ করেন। ধাপে ধাপে নিজের পরিশ্রম ও মেধায় সংবাদমাধ্যমে জায়গা করে নিয়েছিলেন তিনি। ক্রমশ ধারাল করছিলেন নিজের কলম (Demise of Arabinda Bhattacharya)।
পরিবার ও ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল, রবিবার শিব চতুর্দশী উপলক্ষে সারাদিন উপোস ছিলেন অরবিন্দ। বিকেলে তাঁর প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করেন এবং চা বা কফি পান করেন। তার কিছুক্ষণ পরেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। হঠাৎ বুকে তীব্র ব্যথা শুরু হলে দ্রুত তাঁকে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু চিকিৎসকদের সমস্ত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ রক্ষা হয়নি।
Sudden Demise of Arabinda Bhattacharya: কলম থামল হঠাৎই, শোকস্তব্ধ সংবাদমহল! (Journalist Arabinda Bhattacharya Death) প্রয়াত সাংবাদিক অরবিন্দ ভট্টাচার্য
বিস্তারিত পড়ুন লিংকে ক্লিক করে: https://t.co/BgkDt45ZI7@bengalliberty #Journalism pic.twitter.com/FY6okVL7VS
— Bengal Liberty (@bengalliberty1) February 16, 2026
আরও পড়ুন:
ফাল্গুনের শুরুতেই চড়ছে পারদ, শীতের বিদায়ঘণ্টা বাজল কি বঙ্গে? (West Bengal weather forecast) কেমন থাকবে আবহাওয়া, জেনে নিন
ভোটের আগে ফের বঙ্গে অমিত শাহ, (Amit Shah ISKCON Mayapur) ১৮ ফেব্রুয়ারি আসছেন মায়াপুর ইসকনে

আজ, সোমবার তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। প্রাথমিকভাবে হৃদরোগজনিত কারণের আশঙ্কা করা হলেও, চূড়ান্ত রিপোর্টের অপেক্ষায় পরিবার ও সহকর্মীরা।
অরবিন্দের অকাল প্রয়াণে সংবাদমহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। প্রতিদিন যিনি খবরের শিরোনাম গড়তেন, আজ তিনিই হয়ে উঠলেন এক বেদনাদায়ক শিরোনাম। তাঁর ফেসবুক বায়োতে লেখা সেই লাইন যেন আজ জীবনের নির্মম উপসংহার হয়ে ফিরে তাকাচ্ছে, -“কথকের ক্লান্ত অভিমান নিশ্চুপ সূর্যাস্তের নীরবতার মতো।”

