Suvendu convoy attack
Bengal Liberty,৩ জুন ,কোচবিহার: পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এবার পুরোনো মামলার তদন্তে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে পুলিশ। গত বছর কোচবিহারে তৎকালীন বিরোধী দলনেতা তথা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় আরও ৫ জনকে গ্রেফতার করল পুণ্ডিবাড়ি থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে রয়েছেন কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলী কর্মাধ্যক্ষ রাজু দে। মঙ্গলবার দিনভর কোচবিহারের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এই ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। আজ, বুধবার ধৃতদের কোচবিহার আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাঁদের ৪ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।

পুরোনো মামলার ফাইল খুলতেই অ্যাকশন (Suvendu convoy attack)
ঘটনার সূত্রপাত ২০২৫ সালের ৫ই আগস্ট। সেই সময় কোচবিহারের পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করতে আসছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। অভিযোগ, তাঁর কনভয়টি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের খাগড়াবাড়ি চৌপতি এলাকায় পৌঁছালে আচমকাই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সেখানে লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালায়। শুভেন্দু বাবুর গাড়ি লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি করা হয় এবং গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এই ঘটনায় পুণ্ডিবাড়ি থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল।

এ পর্যন্ত মোট ১১ জন গ্রেফতার (Suvendu convoy attack)
রাজ্যে ক্ষমতা বদলের পর এই মামলার তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,
১৫ মে, এই মামলার প্রথম দফায় কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের তৃণমূল কংগ্রেসের ব্লক সভাপতি শুভঙ্কর দে-সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।এরপর ২৫ মে দ্বিতীয় দফায় আরও ২ জন তৃণমূল কর্মীকে জালে তোলে পুলিশ। মঙ্গলবার নতুন করে রাজু দে, পবিত্র কুমার রায়, দীপক অধিকারী, আমিনুল হক এবং আমিনুল হোসেনকে গ্রেফতার করা হয়।
নতুন করে এই ৫ জন ধরা পড়ায় শুভেন্দুর কনভয়ে হামলার ঘটনায় মোট গ্রেফতারের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১ জনে। ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে এই হামলার পেছনে আর কোন কোন বড় মাথার হাত ছিল, তা খতিয়ে দেখতে চাইছে পুণ্ডিবাড়ি থানার পুলিশ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোচবিহারের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

