Bengal Liberty : এনআরএস হাসপাতালে নার্সের রহস্যমৃত্যু (Nurse Death)। বুধবার রাতে স্ত্রীরোগ বিভাগের এইচডিইউয়ের শৌচাগার থেকে উদ্ধার হল নার্সের দেহ। মৃত নার্সের নাম রূপালি বর্মণ। ডিউটির সময় তাঁকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ শুরু করেন হাসপাতালের কর্মীরা। পরে শৌচাগার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর শরীরে কোনও ওষুধ ইনজেক্ট করা হয়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে দেহ (Nurse Death)।

ডিউটির মাঝেই নিখোঁজ (Nurse Death)
বুধবার স্ত্রীরোগ বিভাগের এইচডিইউয়ে ডিউটি করছিলেন রূপালি। রাতে কাজের জায়গায় তাঁকে দেখতে না পেয়ে সহকর্মীরা খোঁজ শুরু করেন। এরপর এইচডিইউয়ের শৌচাগার থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। দেহ উদ্ধারের পর এইচডিইউতেই রূপালির চিকিৎসা শুরু হয়। তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করেন চিকিৎসকেরা। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। হাসপাতাল সূত্রের দাবি, শরীরে কোনও ওষুধ ইনজেক্ট করার ফলে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কীভাবে এবং কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

ঘণ্টাখানেক পর উদ্ধার
এনআরএস সূত্রের খবর, রাতে এইচডিইউয়ের নার্সিং স্টেশনে ডিউটিতে যোগ দেওয়ার পরই ফেন্টানিলের তিনটি ভায়াল নিয়ে শৌচাগারে চলে যান নার্স রূপালি বর্মণ। দীর্ঘক্ষণ নার্সিং স্টেশনে না ফেরায় সহকর্মীদের সন্দেহ হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর তাঁরা শৌচাগারের দরজার সামনে গিয়ে রূপালিকে ডাকাডাকি শুরু করেন। কিন্তু কোনও সাড়া না মেলায় রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ দরজা ভেঙে তাঁকে অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। দ্রুত বেডে নিয়ে গিয়ে পরীক্ষা করেন চিকিৎসকেরা। তখনই রূপালিকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। চিকিৎসকদের প্রাথমিক বক্তব্য, রোগীদের ঘুম পাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত ফেন্টানিল রূপালির এলবো জয়েন্টের শিরায় ইনজেক্ট করা হয়ে থাকতে পারে। তবে কীভাবে এবং কেন ওই ওষুধ তাঁর কাছে গেল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
আরও খবর
ঘটনার খবর পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। রূপালির শরীরে কীভাবে ওষুধ প্রবেশ করল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা নাকি অন্য কোনও কারণ-তা নিয়েও তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যেই রূপালির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে। আপাতত এনআরএসে নার্সের রহস্যমৃত্যু ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ।
আরও পড়ুন :
https://bengalliberty.com/2026/08/13/dilip-ghosh-11/


