Bengal Liberty : পাক অধিকৃত কাশ্মীরে লাগাতার উত্তেজনা চলছে। প্রায় প্রতিদিনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। ভারতের সঙ্গে সংযুক্তির দাবিতে আন্দোলনও ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। এরই মধ্যে বন্ধ ইন্টারনেট পরিষেবা। সমস্ত রকম জরুরি পরিষেবা না মেলায় পাকিস্তানি সেনা ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে প্রায়ই খণ্ডযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এই অঘোষিত জরুরি অবস্থার মধ্যেই এবার রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ দাবি করল ভারত। এত কিছু ঘটে যাওয়ার পরেও কেন রাষ্ট্রসংঘ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে দিল্লি।
রাষ্ট্রসংঘকে ভারতের প্রশ্ন
বুধবার রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গে একটি অধিবেশনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ভারতের প্রতিনিধি অনুজ স্বরূপ দেশের বক্তব্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “অধিকৃত কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান সরকার যে পদক্ষেপগুলি করেছে, তা নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন কবে রিপোর্ট দেবে?”
স্বরূপ আরও বলেন, “আমাদের প্রতিবেশী দেশ এবং পশ্চিমি দেশগুলিতে চলা হিংসাত্মক বিক্ষোভ নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। বলার অপেক্ষা রাখে না, এই ধরনের দ্বিমুখী নীতি এবং বহুপাক্ষিকতার কারণে মানবাধিকার কমিশনের উপর আস্থা হারাচ্ছে মানুষ।”
আরও খবর
এক সুরে ভারত ও বালোচিস্তান
কিছুদিন আগে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মির তরফে রাষ্ট্রসংঘের উদ্দেশে একটি চিঠি লেখা হয়। সেখানে পাকিস্তানকে জঙ্গি রাষ্ট্র হিসেবে উল্লেখ করে, পাকিস্তান কেন রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে নিজেদের বক্তব্য রাখার সুযোগ পাচ্ছে, তা নিয়ে সরব হয় বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি। একই সঙ্গে বালোচদের সুরে সুর মিলিয়ে গণহত্যার প্রসঙ্গে রাষ্ট্রসংঘ ও পাকিস্তান—উভয়েরই সমালোচনা করেছে ভারত। এই জোরালো প্রশ্নের জেরে আগামী দিনে পাকিস্তানের তরফে কোনও উত্তর আসবে কি? পাক অধিকৃত কাশ্মীরে দমন-পীড়নের নীতি কি বন্ধ হবে? সব মিলিয়ে ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের মধ্যেই এবার যুক্ত হল রাষ্ট্রসংঘের নাম।


