Bengal Liberty
মঙ্গলবার সিরিয়ার রাজধানী(Emmanuel Macron) দামেস্কে পরপর বিস্ফোরণের খবর সামনে এসেছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের হোটেলের জানলার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। এই ঘটনায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃত ও আহতের সংখ্যা। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে বাশার আল-আসাদের পতনের পর প্রথম ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নেতা হিসেবে গত ৬ জুলাই ঐতিহাসিক সিরিয়া সফরে যান ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। দামেস্কে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে তাঁর বৈঠক শুরুর আগেই হোটেল চত্বরে এই পরপর বিস্ফোরণ ঘটে। তবে ফরাসি প্রেসিডেন্ট সম্পূর্ণ নিরাপদ আছেন বলে জানা গেছে।

ঐতিহাসিক গুরুত্ব(Emmanuel Macron)
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে আসাদ সরকারের পতনের পর ম্যাক্রোঁই প্রথম প্রধান পশ্চিমা নেতা, যিনি সিরিয়া সফর করলেন। তাঁর এই সফরে সঙ্গে রয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের বাণিজ্য প্রতিনিধিদলও।

দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক(Emmanuel Macron)
দামেস্কে সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়ন এবং বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরের কথা রয়েছে তাঁর
আরও খবর
বিস্ফোরণের তীব্রতা(Emmanuel Macron)
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ম্যাক্রোঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের ঠিক কিছুক্ষণ আগেই সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে তাঁর হোটেলের কাছে জোড়া বিস্ফোরণ ঘটে। তবে সৌভাগ্যবশত ফরাসি প্রেসিডেন্ট নিরাপদ রয়েছেন।
আরো পড়ুন:-
https://bengalliberty.com/2026/07/07/baruipur-case-3/
বিস্ফোরণের নেপথ্যে কী রহস্য(Emmanuel Macron)
সিরিয়ার এই সাম্প্রতিক বিস্ফোরণগুলির প্রধান কারণ হিসেবে দেশটির ভঙ্গুর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বিদ্রোহী গোষ্ঠী বা সশস্ত্র বাহিনীর আক্রমণকে দায়ী করা হচ্ছে। সাম্প্রতিককালে রাষ্ট্রপ্রধানদের সফর বা রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগ নিয়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ঘটানোর প্রবণতা বাড়তে দেখা গেছে।

এ ছাড়া, পূর্বে পরিত্যক্ত অস্ত্রাগার, অবিস্ফোরিত বোমার বিস্ফোরণ কিংবা গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্বও এর অন্যতম কারণ হতে পারে। বর্তমান সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্যই কি ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির সফরের মাঝে এমন বিস্ফোরণ ঘটানো হলো? নাকি এর নেপথ্যে কোনো সুনির্দিষ্ট বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্য রয়েছে? এই ঘটনার পেছনে ঠিক কী রহস্য লুকিয়ে আছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ইতিমধ্যেই নতুন জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।


