Bengal Liberty:
বিলবোর্ড-কাণ্ডের রেশ কাটেনি। ফের বিতর্কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস। এবার ক্ষমতার জোরে অফিস দখল করে রাখার বিস্ফোরক অভিযোগ তুলল মালিকপক্ষ। অভিযোগ, আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বিল্ডিংয়ে তৃণমূলের যুব সংগঠনের অফিস চালু করা হয়(Abhishek Banerjee)। দীর্ঘদিন ধরে সেই অফিসই ব্যবহার করা হচ্ছে বলে দাবি মালিকপক্ষের।

মালিকপক্ষের অভিযোগ(Abhishek Banerjee)
মালিকপক্ষের আইনজীবীর দাবি, ২০২০ সালে বাড়িটি লিজ নেওয়ার জন্য তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী ১০ বছরের জন্য দুটি ফ্লোর লিজ দেওয়ার কথা ছিল।
আরও খবর
তার আগে মালিকপক্ষের তরফে একটি ‘সিসি’ দেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার কথা ছিল। সেই নথিতে স্বাক্ষরের পরেই বাড়িটি আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করার কথা ছিল বলে দাবি মালিকপক্ষের আইনজীবীর।
কিন্তু মালিকপক্ষের অভিযোগ, সেই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তৃণমূলের সংগঠনের লোকজন বিল্ডিংয়ে ঢুকে নিজেদের অফিস চালু করে দেন। অর্থাৎ চুক্তির শর্ত এবং আইনি প্রক্রিয়াকে কার্যত উপেক্ষা করেই অফিস দখল করে রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ। একাধিকবার নোটিস পাঠানো হলেও কোনও সমাধান হয়নি বলেও দাবি মালিকপক্ষের আইনজীবীর। বরং ‘সিসি’-সংক্রান্ত কোনও বিষয় থাকলে ‘ তৃণমূলের তরফেই তা দেখে নেওয়া হবে ‘, এমন কথাও বলা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এদিকে ওই চুক্তিতে তৎকালীন যুবনেতা দেবরাজ চক্রবর্তী স্বাক্ষর করেছিলেন বলে দাবি মালিকপক্ষের।

ঘটনার সূত্রপাত (Abhishek Banerjee)
এই অভিযোগের মধ্যেই কয়েকদিন আগে ক্যামাক স্ট্রিটের ওই অফিসকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল আরও এক দফা উত্তেজনা। কলকাতা পুরসভার অভিযোগ ছিল, অফিসের মাথায় বেআইনিভাবে বিলবোর্ড বসানো হয়েছে। সেটি সরাতে কলকাতা পুলিশ ও পুরসভার কর্মীরা গেলে অফিসের সামনে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও ওঠে।
তার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার অফিসের বৈধ দখল নিয়েই নতুন অভিযোগ সামনে এল। ফলে ক্যামাক স্ট্রিটের এই তৃণমূল কার্যালয়কে ঘিরে আইনি জটিলতা এবং রাজনৈতিক বিতর্ক, দুই-ই আরও বাড়ল।

আরও পড়ুনঃ নেপালে নিখোঁজ স্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ শুভ্রাংশু! খবর মিলল কি?


