Mamata Vs Ritabrata
Mamata Vs Ritabrata

বাংলায় জ্ঞানেশ কুমার ও বিজেপির নতুন ষড়যন্ত্র, দাবি মমতা তৃণমূলের

Bengal Liberty : অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের (AITC) নাম এবং “জোড়াফুল” প্রতীকটি কোন পক্ষের প্রাপ্য, তা নির্ধারণের আইনি লড়াইয়ে ভারতের নির্বাচন কমিশন এবং সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী হলফনামা জমা দিতে হবে। অর্থাৎ, তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক কার প্রাপ্য—এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য প্রকৃত দল এবং ভুয়া গোষ্ঠী—উভয়কেই ২৬শে অক্টোবরের মধ্যে সমর্থকদের হলফনামা জমা দিতে বলা হয়েছে। হলফনামা জমা দেওয়ার এই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর, নির্বাচন কমিশনকে পরবর্তী ৩ মাসের মধ্যে কোন পক্ষটি ‘আসল তৃণমূল’ সেই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।

এদিকে মমতা তৃণমূলের দাবি, এই ভুয়ো গোষ্ঠীর কোনো সাংগঠনিক কাঠামো বা সমর্থক নেই, কারণ পুরো দলটিই চেয়ারপারসন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে রয়েছে। তাই, এই ভুয়ো গোষ্ঠীর জন্য নকল হলফনামা সংগ্রহের উদ্দেশ্যে রাজ্যের প্রতিটি থানায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশকে কাজে লাগানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাংলার প্রতিটি থানাকে ১০০০টি করে ভুয়ো হলফনামা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে মোট ৬০৭টি থানা রয়েছে। এই হলফনামাগুলোকে বৈধতা দেওয়ার জন্য বাংলার প্রতিটি থানায় একজন করে নোটারি নিয়োগ করা হয়েছে।

২৬শে অক্টোবরের মধ্যে সমর্থকদের হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ

বাংলার প্রতিটি থানাকে ১০০০টি করে ভুয়ো হলফনামা সংগ্রহ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে মোট ৬০৭টি থানা রয়েছে।
এই হলফনামাগুলোকে বৈধতা দেওয়ার জন্য বাংলার প্রতিটি থানায় একজন করে নোটারি নিয়োগ করা হয়েছে।
তবে ভুয়ো গোষ্ঠী প্রমাণ করতে রীতিমতো উঠে পড়ে লেগেছে মমতা তৃণমূল। রাজ্যে স্ট্যাম্প পেপারের সংকট দেখা দিয়েছে, কারণ পুলিশ সব স্ট্যাম্প পেপার কিনে নিয়েছে।

পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন পুরো রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের জন্য কোনো স্ট্যাম্প পেপার অবশিষ্ট না থাকে। ফলে, প্রকৃত তৃণমূল কর্মীরা তাঁদের হলফনামা তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প পেপার পাচ্ছেন না। পুরো বিষয়টি অর্থায়ন করছেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, সুপ্রিম কোর্ট গত ২৮শে সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে নির্দেশ দেয় যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির এবং ঋতব্রত মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন বিদ্রোহী শিবির—উভয় পক্ষকে তাদের প্রমাণাদি ও হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য ৪ সপ্তাহ সময় দেওয়া হবে। সেই অনুযায়ী এই সময়সীমা ২৬শে অক্টোবরের কাছাকাছি গিয়ে শেষ হচ্ছে।

Pushpak Bhattacharya
পুষ্পক ভট্টাচার্য

পুষ্পক ভট্টাচার্য একজন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী। রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করার পর ২০২৬-এ Bengal Liberty-তে সাংবাদিক হিসেবে তাঁর পেশাগত যাত্রা শুরু হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদ এবং ক্রীড়া সাংবাদিকতার প্রতি বিশেষ আগ্রহ। দেশ-বিদেশের সমসাময়িক ঘটনাপ্রবাহ, আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং খেলাধুলার নানা বিষযয়ের প্রতি বিশেষ ঝোঁক। ব্যস্ততার বাইরে বই ও সিনেমা সঙ্গী।