Bengal Liberty : পুজো মিটতেই ফের রাজনৈতিক সংঘাতের অভিযোগ রাজ্যে। এ বার রাজারহাটে সিপিএম ও কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। বুধবার রাতে রাজারহাটের বিষ্ণুপুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বসিনা মণ্ডলপাড়া এলাকায় এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। সিপিএমের অভিযোগ, দশমীর রাতে তাদের পার্টি অফিসে তাণ্ডব চালানো হয়। বাদ যায়নি চেয়ার ও সিলিং পাখাও। পরে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়েও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির হাত রয়েছে বলে দাবি বামেদের। যদিও সেই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন রাজারহাট-নিউ টাউনের বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোডিয়া। পালটা বামেদের বিরুদ্ধেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
সিপিএমের অভিযোগ
সিপিএমের দাবি, বসিনা মণ্ডলপাড়ার তাদের পার্টি অফিসটি দীর্ঘদিনের পুরনো। এর আগেও একাধিকবার কার্যালয়টি দখলের চেষ্টা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এ বার দশমীর রাতে সেখানে ভাঙচুর চালানো হয়। চেয়ার থেকে সিলিং পাখা, কিছুই বাদ পড়েনি বলে দাবি বামেদের। এর পরেই কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ সামনে আসে। বিষ্ণুপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও কংগ্রেসের পার্টি অফিসে হামলার অভিযোগ ঘিরে চর্চা শুরু হয়েছে। ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছেন সিপিএম নেতা সপ্তর্ষি দেব। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকেই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। এই ধরনের কাজ বিজেপি ছাড়া আর কারা করতে পারে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
পালটা চ্যালেঞ্জ বিজেপি বিধায়কের
বামেদের তোলা অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছেন রাজারহাট-নিউ টাউনের বিজেপি বিধায়ক পীযূষ কানোডিয়া। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই এমন অভিযোগ করা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যমের নজর কাড়তে বাম ও কংগ্রেস নিজেরাই এই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে বলেও পালটা দাবি করেছেন তিনি।পীযূষের কথায়, “একটা জায়গাতেও কেউ যদি দেখাতে পারেন, যেখানে কোনও বিজেপি নেতৃত্ব গিয়ে ভাঙচুর করেছে, আমি রাজনীতি ছেড়ে দেব।” বামেদের দীর্ঘদিনের রাজনীতির সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষ পরিবর্তন এনেছেন। তাঁর দাবি, রাজ্যে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শই প্রাধান্য পাবে, কার্ল মার্কসের আদর্শ নয়।


