Bengal Liberty
গত বুধবার নেপালের ভূখণ্ডে(Bengal Flood)ভয়ঙ্কর হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বিগত এক সপ্তাহের মধ্যে ঐতিহ্যবাহী নেপাল পুরোপুরি মৃত্যুভূমিতে পরিণত হয়েছে। এখনও অবধি সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ১২০০ জনের মৃত্যু হয়েছে এ ছাড়াও প্রায় ৪০০০ জনের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এরই মধ্যে বাংলায় প্লাবনের আশঙ্কা জোরালো হচ্ছে মাইথন জলাধারের তরফ থেকে সকাল ৭:৩০টা নাগাদ দু’বারে মারাত্মক জল ছাড়া হয়েছে।

মাইথন জলাধার(Bengal Flood)
খবর অনুযায়ী, মাইথন জলাধার থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৫৮,০০০ কিউসেক জল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে পাঞ্চেত জলাধার থেকে প্রতি সেকেন্ডে ৬০,০০০ কিউসেক জল ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মোট দুই জলাধার থেকে প্রতি সেকেন্ডে মোট ১,১৮,০০০ কিউসেক জল ছাড়ার কথা বলা হয়েছে। এতেই বাংলার অনেক এলাকায় প্লাবনের সঙ্গে দুর্যোগের আশঙ্কাই তৈরি হয়েছে।

রাজ্যের মুখ্য সচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল এই বিষয় মাইথন জলাধার থেকে বারবার যোগাযোগ করা হচ্ছে। এর আগেও বহুবার জল না ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও মাইথনের তরফ থেকে সেই নির্দেশিকা মানা হয়নি। তাই জল আটকানো বর্তমান রাজ্য সরকারের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠবে এমনটাই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।
আরও খবর
কেন জল ছাড়া হচ্ছে(Bengal Flood)
চিঠিতে বলা হয়েছে, মাইথন ও পাঞ্চেত জলাধারের বর্তমান জলস্তরের প্রবণতা, নির্ধারিত Guide Curve, দুই জলাধারের ক্যাচমেন্ট এলাকায় বৃষ্টিপাত, তেনুঘাট বাঁধ থেকে জল ছাড়া এবং আবহাওয়া দফতরের QPF (Quantitative Precipitation Forecast) বিবেচনা করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি পরিবর্তন হলে এই জল ছাড়ার পরিমাণ পুনরায় পর্যালোচনা করা হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে নেপালের এই পরিস্থিতির মধ্যে লাগাতার জল ছাড়া কতটা সঠিক? এই নিয়েই শুরু হয়েছে আলোচনা। প্লাবনের আতঙ্কে দিন কাটছে গ্রামবাসীদের। সব মিলিয়ে বাংলায় বন্যা আতঙ্কে ভুগছে সাধারণ মানুষ।



