Bengal Liberty : চোরবাগান কাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে পুজোর দিনগুলিতে রাজ্যের প্রতিটি সরকারি হাসপাতালকে প্রস্তুত থাকার কড়া নির্দেশ দিল স্বাস্থ্য দফতর। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা যাতে কোনও ভাবেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে চিকিৎসক থেকে শুরু করে স্বাস্থ্য আধিকারিক—সকলের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পুজোর সময় হাসপাতালে চিকিৎসক ও আধিকারিকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্দেশ অমান্য করলে সাসপেনশনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম।
সোমবার রাজ্যের প্রতিটি জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, মেডিক্যাল কলেজগুলির অধ্যক্ষ এবং এমএসভিপিদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব। পুজোর দিনগুলিতে হাসপাতালের জরুরি পরিষেবা সচল রাখতে একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাসপাতালে অর্থোপেডিক, নিউরোসার্জন এবং অ্যানাস্থেটিস্টদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, পর্যাপ্ত অ্যাম্বুল্যান্স, রক্ত ও অক্সিজেনের জোগান রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে খবর, শুধু চিকিৎসক বা হাসপাতালের কর্মীদের ছুটিই নয়, পুজোর সময় স্বাস্থ্য দফতরের পদাধিকারীদেরও সক্রিয় থাকতে বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য ভবনের যে সমস্ত আইএএস আধিকারিক ছুটিতে রয়েছেন, তাঁদেরও কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
আরও খবর
এদিকে, পুজোর ভিড় এবং বিসর্জনকে কেন্দ্র করে বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকদের। দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে পুণ্যার্থীদের ভিড় এবং টাকিতে বিসর্জনের সময় বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা প্রস্তুত রাখার উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
সব মিলিয়ে, পুজোর দিনগুলিতে চিকিৎসা পরিষেবায় যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে তৎপর হয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। চোরবাগান কাণ্ডের পর জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলির প্রস্তুতি নিয়ে আর কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন।


