Bengal Liberty
অবশেষে ‘বেঙ্গল লিবার্টি’-র খবরেই সিলমোহর পড়ল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের(Tapan Dasgupta) হাত ছাড়লেন বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা তপন দাশগুপ্ত। রবিবার সকালে নিজেই এক সাংবাদিক বৈঠক করে দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। তবে সেই সঙ্গেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, এখনই তিনি রাজনীতি থেকে সন্ন্যাস নিচ্ছেন না।

৪ দশকের সম্পর্কে ইতি(Tapan Dasgupta)
সপ্তগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সঙ্গী। তাঁর সঙ্গে প্রায় ৪০ বছর রাজনীতি করেছেন তিনি। তৃণমূল জমানায় তিন বারের বিধায়ক এবং দুই বারের মন্ত্রীও হয়েছিলেন। সামলেছেন একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতর। তবে এবারের বিধানসভা নির্বাচনে দল তাঁকে টিকিট দেয়নি। সেই থেকেই দলের ওপর একটা প্রচ্ছন্ন অভিমান তৈরি হয়েছিল তাঁর। এতদিন দলের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে মুখ না খুললেও, রবিবার কালীঘাটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে যেন সেই চাপা অভিমানেরই বহিঃপ্রকাশ ঘটালেন তিনি।

হুগলির রাজনীতিতে বড় ধাক্কা(Tapan Dasgupta)
তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব বাড়ছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। লড়াকু নেতা হিসেবে পরিচিত তপন দাশগুপ্ত যখন হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন, তখন নিজের মতো করে সংগঠনকে সাজিয়েছিলেন। জেলার প্রতিটি ব্লকে আজও তাঁর অসংখ্য অনুগামী রয়েছেন। তবে পরবর্তীতে রাজনীতিতে তাঁর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অসিত মজুমদারকে হুগলি-শ্রীরামপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করে তৃণমূল নেতৃত্ব। যাঁর ফলে দূরত্ব আরও বাড়ে।
আরও খবর
রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ(Tapan Dasgupta)
দলের বিপর্যয়ের আবহে একের পর এক নেতা যখন মমতার সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রত শিবিরে চলে গেছেন এবং অধিকাংশ সাংসদ এনসিপিআই-তে যোগ দিয়ে এনডিএ শরিক হয়েছেন, সেই পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরও এক আস্থাভাজনের এই দলত্যাগ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করল। তপন দাশগুপ্ত সক্রিয় রাজনীতিতে থাকলেও এখনই অন্য কোনো শিবিরে যোগ দেওয়া নিয়ে স্পষ্ট করে কিছু জানাননি। তবে রাজনৈতিক মহলের খবর, আগামী দিনে সুযোগ ও পরিস্থিতি বুঝে তিনি বিজেপিতেও যোগ দিতে পারেন।


