Bengal Liberty
২০২৭ সালের জনগণনার কাজে শিক্ষকদের ব্যবহার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি কৃষ্ণ রাও স্পষ্ট জানিয়েছেন (2027 Census) , সেনসাসের কাজে কোনও শিক্ষককে নিযুক্ত করতে হলে আগে থেকেই তাঁকে দায়িত্ব পালনের দিন, সময় এবং স্থান সম্পর্কে জানাতে হবে। পাশাপাশি, শিক্ষকদের জনগণনার কাজে যুক্ত করার কারণে স্কুলের পঠনপাঠন যাতে কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

সেনসাস ডিউটিতে ‘উপস্থিত’ গণ্য 2027 Census
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও শিক্ষক সেনসাসের দায়িত্বে থাকলে সংশ্লিষ্ট সময়ের জন্য তাঁকে কর্মক্ষেত্রে ‘উপস্থিত’ হিসেবেই গণ্য করতে হবে। তবে স্কুলের পড়াশোনায় যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে, তার জন্য প্রয়োজনীয় বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। এই বিকল্প ব্যবস্থা করার দায়িত্ব থাকবে সংশ্লিষ্ট স্কুলের প্রধান শিক্ষকের উপর। একইসঙ্গে আদালত স্পষ্ট করে দিয়েছে, যাঁদের জনগণনার কাজে দায়িত্ব দেওয়া হবে, তাঁরা সেই দায়িত্ব কোনওভাবেই প্রত্যাখ্যান করতে পারবেন না।

এদিকে, সেনসাসের কাজে শিক্ষকদের ব্যবহার নিয়ে আগের নির্দেশিকা প্রত্যাহার করেছে রাজ্য স্কুল শিক্ষা দফতর। ৩ অগাস্ট জারি হওয়া মেমো নম্বর ৭০৮(৪৬)-Sc/P প্রত্যাহার করে ১৯ অগাস্ট নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, সেনসাস কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। তবে পড়ুয়াদের শিক্ষাগত স্বার্থ এবং পঠনপাঠন যাতে ব্যাহত না হয়, তা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে। স্কুল শিক্ষা দফতরের জয়েন্ট ডিরেক্টর জানিয়েছেন, সেনসাস ডিউটিতে নিযুক্ত শিক্ষকদের ব্যবহারের ক্ষেত্রে পড়ুয়াদের শিক্ষাগত স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখার জন্য রাজ্যের হোম অ্যান্ড হিলস দফতরকে অনুরোধ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশটি জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর করার কথাও জানানো হয়েছে।
আরও খবর

পুরনো নির্দেশিকা প্রত্যাহার
অন্যদিকে, সেনসাসের কাজে নিযুক্ত শিক্ষক ও সরকারি কর্মীদের জন্য ‘অন ডিউটি’ মর্যাদা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কলকাতা পুরসভা। ১৯৪৮ সালের সেনসাস আইনের ১৫এ ও ১৫বি ধারার উল্লেখ করে পুরসভার নির্দেশ, ২০২৭ সালের জনগণনার কাজে দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সরকারি কর্মীদের দায়িত্ব পালনের দিনগুলি ‘অন ডিউটি’ হিসেবে নথিভুক্ত করতে হবে।
পুরসভার তরফে আরও জানানো হয়েছে, সেনসাসের দায়িত্ব পালনের কারণে কোনও কর্মীর চাকরিগত সুবিধা, পদোন্নতি বা কেরিয়ার অগ্রগতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। একইসঙ্গে বেতন-বৈষম্য, সার্ভিস সংক্রান্ত সমস্যা বা কোনও প্রশাসনিক জটিলতার মুখেও যাতে কর্মীদের পড়তে না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


