Bengal Liberty: প্রথম বর্ষের ভর্তি ও কাউন্সেলিংকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। ABVP ও AIDSO-র সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের জেরে উত্তেজনা ছড়ায় ক্যাম্পাসে। লেকচার থিয়েটার-১-এর ভিতরে ঢুকে চিকিৎসক ও ইন্টার্নদের মারধর এবং মহিলা চিকিৎসকদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে ABVP-র বিরুদ্ধে। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে ABVP।

ভর্তি প্রক্রিয়া নিয়ে অশান্তি (ABVP and AIDSO clash)
ঘটনার সূত্রপাত ভর্তি প্রক্রিয়া চলাকালীন। AIDSO-র দাবি, পড়ুয়া ও অভিভাবকদের সহায়তার জন্য লেকচার থিয়েটারের বাইরে তাদের হেল্পডেস্ক চলছিল। সেই সময় ABVP ও বিজেপির কয়েকজন বহিরাগত সমর্থক সেখানে এসে চড়াও হন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে লেকচার থিয়েটারের ভিতরেও পৌঁছে যায়।
AIDSO-র সম্পাদক তথা ইন্টার্ন চিকিৎসক হিরণ্ময় রায়ের অভিযোগ, তাঁদের টেবিলে মাথা ঠুকে মারধর, লাথি ও জুতো দিয়ে আঘাত করা হয়। তাঁর দাবি, মহিলা সহকর্মীর শ্লীলতাহানি করা হয় এবং তাঁদের মোবাইল ফোন ও স্টেথোস্কোপ কেড়ে নেওয়া হয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। অভিযোগ, হামলাকারীদের সরিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে আক্রান্তদেরই বাইরে বের করে দেওয়া হয়।
আরও খবর

ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে উত্তেজনা (ABVP and AIDSO clash)
অন্যদিকে, ABVP-র পাল্টা দাবি, ভর্তি প্রক্রিয়ায় সহযোগিতার জন্য কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত কার্ড নিয়ে তাদের ১৫-২০ জন সদস্য ছিলেন। AIDSO-র কিছু বহিরাগত সদস্য কোনও অনুমোদন ছাড়াই ভিড় করে প্রশাসনিক কাজে বাধা দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ ABVP-র। নিরাপত্তারক্ষীদের কথা না শোনায় প্রথমে বচসা এবং পরে সামান্য হাতাহাতি হয় বলে দাবি সংগঠনের।

ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের দাবি, বহিরাগত হামলার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ এখনও মেলেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, গোটা ঘটনায় কলেজ কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
আরো পড়ুন:-
https://bengalliberty.com/2026/09/02/highcourt-on-abhishek-3/


