Suvendu Adhikari
Bengal liberty: সমাজমাধ্যমে বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দু অধিকারীর। জয়নগর বিধানসভার হরিনারায়ণপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৯, ৩০, ৩১ ও ৩৯ নং বুথের মুসলিম ভোটারদের রাত ১২ টার সময় পঞ্চায়েতের কার্যালয়ে বিএলওদের দিয়ে এসআইআর-এর কাজ করানো হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ বিরোধীদলনেতার (SIR)
এই অভিযোগ জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে পোস্টে তিনি লেখেন, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল যে অবৈধ বাংলাদেশী রোহিঙ্গাদের ভোটে ক্ষমতায় রয়েছেন। সে কথা জলের মতো পরিষ্কার।”
এসআইআর-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ”কমিশন SIR নামক কার্বোলিক অ্যাসিড প্রয়োগ করতেই গর্ত থেকে পিলপিল করে এখন সব অবৈধ অনুপ্রবেশকারীর দল বেরিয়ে আসছে। এদের নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন মহা চিন্তায়। তাই যে কোনো উপায়ে ছলে বলে কৌশলে ভোটার লিস্টে এদের নাম ঢোকাতেই হবে, না’হলে সমূহ বিপদ। এদের নাম যাতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ না পড়ে তাই তৃণমূলের ছোটো থেকে বড়ো নেতা কর্মীরা হয় বিএলও দের হুমকি দিচ্ছেন বা তাদের দিয়ে জোর করে অনৈতিক কাজ করাতে তৎপর।”
জয়নগর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক বিশ্বনাথ দাসে বিরুদ্ধে অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিধায়ক আর তাঁর শ্যালক তুহিন বিশ্বাস নিজে দাঁড়িয়ে থেকে এইসব দুর্নীতি করাচ্ছেন বিএলও দের দিয়ে। তাঁদের সাহায্য করছে ওই এলাকার দুই দুষ্কৃতি মুন্না এবং আরিফ।
পোস্টে বিরোধীদলনেতার দাবি, হরিনারায়ণপুর এলাকার গাজী পাড়া, আর মসজিদের চক এই দুটি জায়গায় গড়েরহাটের খালের পাশে প্লাস্টিক ঘেরা ঝুপড়ি বেঁধে থাকে বাংলাদেশী অবৈধ অনুপ্রবেশকারীরা। জয়নগর বিধানসভায় এইসমস্ত অবৈধ ভোটারের ভোটেই তৃণমূল কংগ্রেস যেতেন বলে তিনি জানান।
পোস্টের শেষে গোটা বিষয়টা খতিয়ে দেখার জন্য নির্বাচন কমিশনকে অবিলম্বে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা বলেন তিনি। কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য সমাজমাধ্যমে রাজ্যের মুখ্য আধিকারিকের দফতর’সহ জাতীয় কমিশনকে ট্যাগ করেন বিরোধীদলনেতার।
ভাইরাল একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ওই এলাকায় একটি বিলের পাশে বস্তা ভর্তি আধারকার্ড। তাতে হিন্দু ভোটারদের নাম নেই। সব কটা আধারকার্ডই মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোটারদের বলে শোনা গিয়েছে এক ব্যক্তির মুখে।
