Imran Khan
Bengal Liberty: পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের পরিবারের অভিযোগ, জেল বন্দি অবস্থায় তাঁকে পরিকল্পিত হত্যা করা হয়েছে। বহু প্রচেষ্টা সত্ত্বেও প্রশাসন তাঁদের ইমরানের সঙ্গে যোগাযোগের কোনও সুযোগ দিচ্ছে না।যদি ইমরানের পরিবারের এই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয় তবে সে দেশের আইন ব্যবস্থা, রাজনীতি ও প্রশাসনের ওপর নেমে আসবে চরম সঙ্কট।
১. মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করতে সরকারি হাসপাতালের শিলমোহর বাধ্যতামূলক (Imran khan)
জেল বন্দি অবস্থায় প্রাণহানীর ঘটনা ঘটলে সে দেশের আইনে অনুযায়ী, সরকার-অনুমোদিত হাসপাতালের ডেথ সার্টিফিকেট এবং ময়না তদন্তের রিপোর্ট প্রয়োজন হয়। ইমরান খানের মতো উচ্চপ্রোফাইল ব্যক্তিত্বের ক্ষেত্রে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক ও পাঞ্জাব হোম ডিপার্টমেন্টের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা অপরিহার্য হবে।
২. বিচার বিভাগীয় তদন্ত বাধ্যতামূলক (Imran khan)
ম্যাজিস্ট্রেট বা বিচারকের অধীনে তদন্ত শুরু হবে। হেফাজতের অবস্থা, চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য গাফিলতির কারণ খতিয়ে দেখা হবে।
৩. ইমরানের বিরুদ্ধে আরোপিত সমস্ত ফৌজদারি মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে (Imran khan)
পাকিস্তানের ফৌজদারি আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের মৃত্যু নিশ্চিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান সব ফৌজদারি মামলা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিষ্পত্তি হয়ে যায়।
৪. দল কে নতুন মুখ নির্বাচন করতে হবে(Imran khan)
ইমরান খানের মৃত্যু নিশ্চিত হলে তাঁর দল পিটিআই’কে(Pakistan Tehreek-e-Insaf) নতুন মুখ বাছাই করতে হবে। এতে দলীয় ভাঙন, নতুন গোষ্ঠীর উত্থান হতে পারে।
৫. দেশব্যাপী রাজনৈতিক উত্তেজনা ও নিরাপত্তা সঙ্কট (Imran khan)
ইমরান খানের জনপ্রিয়তার কারণে তাঁর মৃত্যু খবর দেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে পারে। দিকে দিকে বিক্ষোভ প্রদর্শন হওয়ার সম্ভবনা বাড়তে পারে। এর আগে অতীতে বেনজির ভুট্টোর মৃত্যুর মতো ঘটনাও তীব্র অশান্তির জন্ম দিয়েছিল।.
৬. সেনা ও সরকারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি (Imran khan)
উচ্চ-নিরাপত্তা কারাগারে বন্দি পাকিস্তানের প্রাক্তন শাসকের মৃত্যুর ঘটনা সত্যি বর্তমান সরকারের ওপর তীব্র অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক চাপ তৈরি হবে। মানবাধিকার সংস্থা, বিদেশি সরকার ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম স্বচ্ছ তদন্ত দাবি করবে। পাকিস্তানের পার্লামেন্টে-এও বিতর্কের ঝড় বইতে পারে।
