india-pakistan conflict
Bengal Liberty: ফের একবার কূটনীতির ময়দানে সামনা – সামনি নয়াদিল্লি-ইসলামাবাদ। এবার টানা বৃষ্টি, বন্যা, ঘূর্ণিঝড় দিটওয়ায় বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কায় ত্রাণসামগ্রী প্রেরণে আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না-দেওয়ার অভিযোগ।
প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কায় ‘মানবিক’ সহায়তা পাঠানোর জন্য ভারতীয় আকাশসীমা ব্যবহারের অনুরোধ নয়াদিল্লি খারিজ করেছে বলে সোমবার অভিযোগ করেছিল ইসলামাবাদ। মঙ্গলবার ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রক শাহবাজ় শরিফের সরকারের সেই অভিযোগকে ‘হাস্যকর’ বলে উড়িয়ে দিয়েছে। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের হাস্যকর বিবৃতি তাঁরা খারিজ করেছেন। এটি ভারতবিরোধী অসত্য তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার আর একটি প্রচেষ্টা।
প্রসঙ্গত, প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কায় পাঠানো পাক ত্রাণসামগ্রীর মান নিয়েও ইতিমধ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে ভারত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্রে! কলম্বোয় পাকিস্তানের হাই কমিশন শ্রীলঙ্কাকে পাঠানো সেই ত্রাণের ছবি পোস্ট করেছে সমাজমাধ্যমে। একইসঙ্গে জানানো হয়, এই কঠিন সময়ে কলোম্বর পাশে রয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু ওই খাদ্যসামগ্রীর প্যাকেটগুলিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে, গত বছরই সেগুলির মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে। ছবিগুলি প্রকাশ্যে আসার পরই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সমাজমাধ্যমে সমালোচনার মুখে পড়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। তবে সমালোচনা এড়াতেই ভিন্ন কায়দায় ভারতকে দোষারোপ করতে শুরু করে পাক সংবাদমাধ্যমগুলি।
তাদের দাবি, শ্রীলঙ্কায় ত্রাণ পাঠাতে বাধা দিচ্ছে ভারত। নয়াদিল্লি তাদের আকাশসীমায় পাক বিমানকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। যদিও আকাশসীমা ব্যবহারে বাধা দেওয়ার পাক দাবি খারিজ করে ভারত। এদিন সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এধরনের অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং বিভ্রান্তিকর। ঘটনার জেরে শ্রীলঙ্কার সমাজমাধ্যম ব্যবহারকারীদের একাংশ সমালোচনা করেছেন ইসলামাবাদের।

