Speaker Om Birla
Bengal Liberty: শুক্রবার লোকসভায় সংসদ নিরাপত্তা পরিষেবা, দিল্লি পুলিশ এবং সিআরপিএফ-এর সাহসী সৈনিকদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি জানানো হয়। ১৩ ডিসেম্বর, ২০০১-এ সন্ত্রাসী হামলায় যাদের প্রাণ যায় তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। সংসদে শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানোর এই কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন স্পিকার ওম বিড়লা। সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবিচল থেকে জাতির ঐক্য, অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সংসদ তার অটল সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করে।
২০০১ সালের ১৩ই ডিসেম্বর, ভারতের সংসদ ভবনে পাকিস্তানের সন্ত্রাস সংগঠন লস্কর-ই-তইবা (LET) এবং জৈশ-ই-মহম্মদের (JEM) এর পাঁচ সদস্য হামলা চালায়। এই হামলায় ৯ জন নিরাপত্তা কর্মী এবং একজন বাগানের মালি নিহত হন, এবং ১৮ জন আহত হন।
হামলার ঘটনা (Speaker Om Birla)
২০০১ সালের ১৩ ডিসেম্বর। সময় সকাল ১১.৩০ মিনিট ৷ নয়াদিল্লির সংসদ চত্বরে একটি সাদা গাড়িতে করে ঢোকে জঙ্গিরা ৷ তারা ভুয়ো পরিচয়পত্র দেখিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে সংসদ চত্বরে প্রবেশ করেছিল ৷ এরপর প্রায় এক ঘণ্টা ধরে জঙ্গি ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে যুদ্ধ চলে ৷ ৫ জঙ্গি তাদের এক-৪৭ (AK-47) থেকে প্রকাশ্যে গুলি চালাতে শুরু করে ৷ সংসদ লক্ষ্য করে বোমা ছুড়তে থাকে ৷ অবশ্য নিরাপত্তরক্ষীদের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে প্রাণ হারায় পাঁচ জঙ্গিই ৷ আর সংসদের এক নিরাপত্তারক্ষী এবং বাগানের মালি-সহ দিল্লি পুলিশের ৫ কর্মীর মৃত্যু হয় ৷
বিচার (Speaker Om Birla)
গ্রেফতার করা হয় জঙ্গিগোষ্ঠী জেকেএলএফের প্রাক্তন সদস্য আফজাল গুরু, তার ভাই শৌকত হুসেন গুরু, শৌকতের স্ত্রী আফসানা গুরু এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি ভাষার অধ্যাপক এসএআর গিলানিকে ৷ পরে আফসানা গুরুকে ছেড়ে দেওয়া হয় ৷ এসএআর গিলানির মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণা হলেও ২০০৫ সালে শীর্ষ আদালত তার সেই সাজা মকুব করে ৷ আর ২০১৩ সালে আফজাল গুরুর ফাঁসি হয় । এই ঘটনার পর ভারত ও পাকিস্তানের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকে ৷ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় জোর দেয় ভারত সরকার ৷
লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, প্রাক্তন লোকসভা স্পিকার এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শোক প্রকাশ করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শিবরাজ পাটিলের মৃত্যুতে। ৯১ বছরে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও প্রবীণ কংগ্রেস নেতা শিবরাজ পাটিল। শুক্রবার মহারাষ্ট্রের লাতুরে নিজ বাসভবনে মৃত্যু হয় তাঁর।

