US bans travel from seven more countries
Bengal Liberty: আরও সাতটি দেশের নাগরিকদের জন্য বন্ধ আমেরিকার দরজা। মঙ্গলবার এই সংক্রান্ত বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে মার্কিন প্রশাসনের তরফে ৷ জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প৷ কোনও দেশের ক্ষেত্রে আংশিক, আবার কোনও দেশের জন্য পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছে। নতুন বছরের জানুয়ারির ১ তারিখ থেকে লাগু হয়ে যাবে এই নতুন নির্দেশিকা (US bans travel from seven more countries)।
কোন কোন দেশের উপর জারি হল নির্দেশিকা? (US bans travel from seven more countries)
চলতি বছরের জুন মাসে মোট ১২টি দেশের উপর মার্কিন প্রবেশে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। ২৬ এর পয়লা জানুয়ারি থেকে আমেরিকার দরজা বন্ধ বুরকিনা ফাসো, নাইজার, মালি, দক্ষিণ সুদান এবং সিরিয়ার বাসিন্দাদের জন্য। লাওস এবং সিয়েরা লিওনের মতো দেশগুলির জন্য আগে আংশিক নিষেধাজ্ঞা জারি করলেও এ বার ওই দুই দেশকে পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় জোড়ার ঘোষণা করলেন ট্রাম্প। নতুন ঘোষণার ফলে আমেরিকায় ঢোকা পুরোপুরি বন্ধ হল ১৯টি দেশের জন্য। গত জুনে যে ১২টি দেশের উপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল ট্রাম্প প্রশাসন সেই দেশগুলি হল— আফগানিস্তান, মায়ানমার, চাদ, রিপাবলিক অফ কঙ্গো, ইকিউটোরিয়াল গিনি, ইরিত্রিয়া, হাইতি, ইরান, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান এবং ইয়েমেন। প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে আংশিক নিষেধাজ্ঞা চাপানো হয়েছিল বুরুন্ডি, কিউবা, টোগো, তুর্কমেনিস্তান এবং ভেনেজুয়েলার নাগরিকদের উপর। তবে নতুন ঘোষণাপত্রে জানানো হয়েছে, তুর্কমেনিস্তানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছেন ট্রাম্প।
আমেরিকার দরজা বন্ধ হওয়ার কারণ(US bans travel from seven more countries)
সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার কারণ প্রসঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছে,অধিকাংশ দেশেই ব্যাপক দুর্নীতি, জাল নাগরিক নথি এবং অপরাধের রেকর্ড রয়েছে। মার্কিন নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বেশ কিছু দেশের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে থেকে যান ৷ সংশ্লিষ্ট দেশগুলি পরে তাদের নাগরিকদের ফেরত নিতে অস্বীকার করে ৷ এই সমস্ত কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ৷
তবে বেশ কয়েকটি ক্ষেত্রে ছাড়ও দেওয়া হয়েছে ৷ মার্কিন প্রশাসনের বিবৃতি অনুযায়ী, বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা, ক্রীড়াবিদ, কূটনীতিকদের মতো নির্দিষ্ট ভিসাপ্রাপকদের এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে রাখা হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করেছে বিরোধীরা ৷ তাদের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের সম্মিলিতভাবে দেশে প্রবেশে বাধা দিচ্ছে মার্কিন প্রশাসন(US bans travel from seven more countries)।
