Subhashree’s Message on Bangladesh
Bengal Liberty Desk, ২৫ ডিসেম্বর, কলকাতা: বাংলাদেশের অশান্ত পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায় (Subhashree’s Message on Bangladesh)। হিংসা, দ্বেষ ও যুদ্ধের বিরুদ্ধে চৈতন্যদেবের বাণী স্মরণ করে মানবিকতার পক্ষে বার্তা দিয়েছেন তিনি। এক সাক্ষাৎকারে শুভশ্রী বলেন, “যুদ্ধ কখনও শান্তি এনে দেয় না। মানুষ মানুষকে ভালোবাসলেই অন্ধকার সময় পেরোনো সম্ভব।”
ছবির প্রচার নাকি রাজনৈতিক বার্তা? (Subhashree’s Message on Bangladesh)
তবে প্রশ্ন উঠছে, এই বক্তব্যের সময় নির্বাচন নিয়ে। কারণ, ঠিক এই সময়েই বড়দিনে মুক্তি পাচ্ছে শুভশ্রীর অভিনীত ছবি ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ (Loho gouranger naam re)। উল্লেখযোগ্যভাবে, শুভশ্রীর স্বামী রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakroborty) তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংসদ ও রাজ্যের শাসক দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ‘ছায়ানট’-এ হামলার ঘটনায় শুভশ্রী নিজেকে স্তব্ধ বলে দাবি করলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে এই মানবিক অবস্থান কি শুধুই সংবেদনশীলতা, না কি ছবির মুক্তির আগে তৈরি করা এক সহানুভূতিমূলক আবহ?

শুভশ্রী (Subhashree’s Message on Bangladesh) বলেছেন, “আগামী পৃথিবী থেকে যুদ্ধ-হিংসা শব্দগুলো মুছে যাক।” কিন্তু সমালোচকদের প্রশ্ন, পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক হিংসা, বিরোধীদের উপর আক্রমণ ও বাকস্বাধীনতা নিয়ে যখন বারবার অভিযোগ উঠছে, তখন শাসক দলের ঘনিষ্ঠ পরিবারের এই বক্তব্য কতটা বিশ্বাসযোগ্য?
এর মধ্যেই জানা গিয়েছে, ছবির মুক্তি উপলক্ষে উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার একাধিক প্রেক্ষাগৃহে শুভশ্রীর (Subhashree’s Message on Bangladesh) কাটআউট, ফুল, কেক কাটা সব মিলিয়ে চলছে জোরদার উদ্যাপন। মানবিক বার্তার সঙ্গে ছবির প্রচারের এই সমাপতন অনেকের কাছেই কাকতালীয় বলে মনে হচ্ছে না।
বাংলাদেশে (bangladesh issue) হিংসার বিরুদ্ধে মুখ খুললেও, নিজের রাজ্যের রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে শুভশ্রীর (Subhashree’s Message on Bangladesh) নীরবতা নতুন করে প্রশ্ন তুলছে।

