Rabindranath Ghosh Resigns
Bengal liberty Desk, ১০ জানুয়ারি: ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে বড়সড় সাংগঠনিক রদবদল (Rabindranath Ghosh Resigns)। কোচবিহার পুরসভার চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা রবীন্দ্রনাথ ঘোষ (Rabindranath Ghosh Resigns)। এই আচমকা পদত্যাগে শুরু হয়েছে জেলা রাজনীতিতে চরম গুঞ্জন (Rabindranath Ghosh Resigns)।

রবীন্দ্রনাথ ঘোষ (Rabindranath Ghosh Resigns) শুধু পুরপ্রধানই ছিলেন না, তিনি উত্তরবঙ্গের তৃণমূল-কংগ্রেসের অন্যতম শক্তিশালী নেতা (Rabindranath Ghosh Resigns)। তিনি প্রাক্তন মন্ত্রী এবং জেলা সভাপতির দায়িত্ব সামলে দলের ভিত্তি শক্তিশালী করেছেন। ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনের (Rabindranath Ghosh Resigns) পর শহরের অবকাঠামো ও হেরিটেজ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি (Rabindranath Ghosh Resigns)।
তবে আচমকা পদত্যাগের (Rabindranath Ghosh Resigns) পেছনে রাজনৈতিক সমীকরণ ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল (Rabindranath Ghosh Resigns)। রবীন্দ্রনাথ ঘোষ নিজেই জানিয়েছেন, “আমাদের সর্বভারতীয় নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) আমাকে ফোন করে পদত্যাগের জন্য বলেছেন। তিনি চেয়েছেন আমি সংগঠনে আরও বেশি মন দিই এবং কোচবিহারের ৯-টি আসনকে মুখ্যমন্ত্রীর (Rabindranath Ghosh Resigns) হাতে তুলে দিই।”
স্থানীয় সূত্রের মতে, রবীন্দ্রনাথবাবুর পদত্যাগের নেপথ্যে রয়েছে (Rabindranath Ghosh Resigns):
- জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব!
- শহরের কর বৃদ্ধি, ব্যবসায়ী সমিতি এবং প্রশাসনিক বোর্ড মিটিং নিয়ে তৃণমূলের ভিতরে মতবিরোধ
- নতুন নির্বাচনী রণকৌশল অনুযায়ী তরুণ ও নতুন মুখদের অগ্রাধিকার দেওয়ার দলীয় নীতি।
রবীন্দ্রনাথ ঘোষের পদত্যাগে (Rabindranath Ghosh Resigns) কোচবিহার রাজনীতিতে একটি বড় শূন্যস্থান তৈরি হয়েছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, কোচবিহার পুরসিংহাসনে বসছেন ক?। সেটা এই মুহূর্তে সময়ের অপেক্ষা তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে (Rabindranath Ghosh Resigns), এই পদত্যাগ শুধুমাত্র প্রশাসনিক নয়, বরং তৃণমূলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিশেষ করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরাসরি হস্তক্ষেপের প্রমাণ, যা দলের ভিতরে বিভাজনকে স্পষ্ট করেছে (Rabindranath Ghosh Resigns)।
